শিরোনাম
◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

প্রকাশিত : ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:২৮ বিকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মানবিক ভিসা দেওয়ায় ইরানের দুই নারী ফুটবলার অস্ট্রেলিয়া সরকার‌কে ধন্যবাদ জানালেন  

স্পোর্টস ডেস্ক : ইরানের দুই নারী ফুটবলার ফাতেমেহ পাসান্দিদেহ এবং আতেফেহ রামাজানিজাদেহ জীবনের নিরাপত্তা এবং ফুটবল ক্যারিয়ার রক্ষায় অস্ট্রেলিয়ার শরণাপন্ন হয়েছেন। এশিয়ান কাপ শেষে অস্ট্রেলিয়ায় থেকে যাওয়ার পর সম্প্রতি তাদের মানবিক ভিসা  প্রদান করেছে দেশটির সরকার।

এই ‘নিরাপদ আশ্রয়’ নিশ্চিত করায় শুক্রবার এক বিবৃতিতে অস্ট্রেলিয়া সরকার ও বিশেষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্কের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তারা। ঘটনাটির সূত্রপাত গত এশিয়ান কাপ চলাকালীন।

সেই সময় ইরান বনাম ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে এশিয়ান কাপের একটি ম্যাচে ইরানের জাতীয় সংগীত গাননি দলের বেশ কয়েকজন ফুটবলার। এই ঘটনার পর ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন তাদের ‘যুদ্ধকালীন বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে আখ্যায়িত করে, যা খেলোয়াড়দের মনে গভীর নিরাপত্তাহীনতার জন্ম দেয়।

প্রাথমিকভাবে ইরানি স্কোয়াডের ছয়জন ফুটবলার এবং একজন স্টাফ অস্ট্রেলিয়ার কাছে মানবিক আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন। তবে নানা জটিলতা ও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে পাঁচজন শেষ পর্যন্ত ইরানে ফিরে গেলেও, ফাতেমেহ ও আতেফেহ অস্ট্রেলিয়াতেই থেকে যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন।

গত মাস থেকেই তারা অস্ট্রেলিয়ার এ-লিগ ক্লাব 'ব্রিসবেন রোর'-এর সঙ্গে অনুশীলন শুরু করেছেন।
নিজেদের বিবৃতিতে এই দুই অ্যাথলেট বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো নিজেদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জীবনকে নতুন করে গুছিয়ে নেওয়া। আমরা পেশাদার অ্যাথলেট, এবং অস্ট্রেলিয়ায় আমাদের খেলা চালিয়ে যাওয়াই এখন বড় স্বপ্ন।’

উল্লেখ্য, দলের বাকি সদস্যরা তুরস্ক সীমান্ত দিয়ে অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে গত মাসে ইরানে ফিরে গেছেন। তবে ফাতেমেহ ও আতেফেহ এখন নিরাপদ পরিবেশে থেকে বিশ্বমঞ্চে নারী ফুটবলের প্রতিনিধিত্ব করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়