শিরোনাম
◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

প্রকাশিত : ০৭ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:০৭ দুপুর
আপডেট : ২৯ মে, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

পিএসজিতে দুই মওসুম কাটা‌লেও মোটেও উপভোগ করেননি মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক : লা মাসিয়ায় বেড়ে ওঠা লিওনেল মেসি এক সময়ে বার্সেলোনার প্রাণভোমরা হয়ে ওঠেন। কাতালান ক্লাবের হয়ে ১০টি লা লিগা, কোপা দেল রে ও চ্যাম্পিয়নস লিগ—সবই জেতা হয়েছে তাঁর। বার্সার ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতাও (৬৭২) মেসি।

২০২১ সালে ১৭ বছরের বার্সা ক্যারিয়ার ইতি টানেন মেসি। এরপর যোগ দেন ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেই-তে। সেখানে লিগ ওয়ান শিরোপা ছাড়া তেমন কোনো অর্জন ছিল না আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী তারকার। তার চেয়েও বড়, প্যারিসে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারেননি তিনি। ---- টি- স্পোর্টস

বুধবার মেসির হাতে মায়ামি শহরের চাবি তুলে দেওয়া হয়। আমেরিকা বিজনেস ফোরামের সেই সম্মাননা অনুষ্ঠানে মেসি জানালেন তাঁর প্যারিস ও যুক্তরাষ্ট্রের মেজর সকার লিগে যাত্রার ইতিবৃত্ত।

মেসি বলেন, “সত্যি বলতে, প্রথমবার প্যারিসে যাওয়া খুব কঠিন ছিল। সারাজীবন বার্সেলোনাতেই ছিলাম; পরিবার, সন্তান, সবকিছুই সেখানে। আমি তো ১৩ বছর বয়সে সেখানে গিয়েছিলাম। কল্পনা করুন, আমার পুরো জীবনটাই ওখানেই কেটেছে।

অথচ সব বিসর্জন দিয়ে একটা সময় বার্সেলোনা থেকে পিএসজিতে পাড়ি দিতে হয় মেসিকে। সেখানে তিনি দুই মৌসুমের বেশি থাকতে পারেননি। সবশেষ মায়ামিতে পাড়ি দেন মেসি।

আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড জানান, মায়ামিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল তাঁর পরিবারের। তিনি বলেন, “এটা আমার পরিবারের সিদ্ধান্ত। আমরা চিন্তা করছিলাম কোথায় গেলে আমাদের জন্য সহজ হবে। সর্বশেষে ইন্টার মায়ামিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই।

মেসি আরও বলেন, “আর মায়ামিতে পৌঁছানোর পর, সবকিছু অসাধারণ ছিল। এই শহরে প্রথমবার থাকা সত্যিই অবিশ্বাস্য। আর সবকিছুই মানুষের আচরণের কারণে আরও বিশেষ—প্রথম দিন থেকেই সবাই যেভাবে আচরণ করেছে, সেটা দারুণ ছিল। আজও তা একইরকম অভ্যর্থনার উদাহরণ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়