শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক

প্রকাশিত : ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৩৬ দুপুর
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মালিকানা টিকিয়ে রাখতে যে ৮ ধরনের ভূমি কাগজপত্র সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা আবশ্যক

ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা, মামলা এবং বছরের পর বছর চলা পারিবারিক বিরোধ—সবকিছুর মূলে থাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি। নতুন ভূমি আইনের বাস্তবতায় জমির মালিকানা টিকিয়ে রাখতে হলে সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে সঠিক নথিগুলো সময়মতো সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা। নইলে যেকোনো দুর্বলতার সুযোগে জমি হারানোর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

রেজিস্ট্রিকৃত দলিলই জমির প্রধান প্রমাণ

জমি ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রার অফিসে স্ট্যাম্পে করা চুক্তিপত্রই দলিল হিসেবে গণ্য হয়। এতে ক্রেতা-বিক্রেতার স্বাক্ষর, সাক্ষীর নাম এবং রেজিস্ট্রারের সিল থাকে। পূর্ববর্তী দলিলগুলো মিলেই তৈরি হয় বায়া দলিল। প্রয়োজনে জেলা রেজিস্ট্রার অফিস থেকে যেকোনো দলিলের অনুলিপি পাওয়া যায়। জমির মালিকানা প্রমাণে এসব দলিল নিরাপদে সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি।

খতিয়ান ও পর্চা: সরকারি জরিপের নথি

জমির যে পর্চা মালিক সংগ্রহ করেন সেটি সরকারি জরিপের তথ্যভিত্তিক কপি। ভূমি অফিসে সংরক্ষিত মূল নথিকে বলা হয় খতিয়ান। জমির সীমানা, মালিকানা ও অবস্থান নিশ্চিত করতে এই নথির গুরুত্ব অপরিসীম।

দাখিলা: খাজনা প্রদানের সরকারি স্বীকৃতি

ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধের পর তহসিল অফিস থেকে যে রশিদ দেওয়া হয় সেটিই দাখিলা। জমি বিক্রি বা মালিকানা প্রমাণের ক্ষেত্রে এটি বাধ্যতামূলক। এমনকি জমি খাজনা মওকুফ হলেও দুই টাকা দিয়ে দাখিলা সংগ্রহ করা যায়।

ওয়ারিশ সনদ ও সাকসেসন সার্টিফিকেট

উত্তরাধিকার সূত্রে জমির মালিকানা পেতে হলে ওয়ারিশ সনদ আবশ্যক। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশন এই সনদ ইস্যু করে। আদালত থেকে প্রদত্ত উত্তরাধিকার সনদকে বলা হয় সাকসেসন সার্টিফিকেট, যা আরও শক্তিশালী আইনি প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত।

মিউটেশন (নামজারি) কপি

জমির মালিকানা পরিবর্তন হলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে মিউটেশন করতে হয়। এটি জমির মালিকানা প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান সরকারি নথি। দুই জরিপের মধ্যবর্তী সময়ে মালিকানা পরিবর্তন হলে এই রেকর্ড বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

আদালতের রায় বা ডিক্রি

ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ আদালতের রায়ের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হলে সেই রায়ই হয় চূড়ান্ত দলিল। মালিকানা নির্ধারণে আদালতের ডিক্রি সবচেয়ে শক্তিশালী প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়।

মৌজা ম্যাপ

এটি জমির খণ্ডচিত্রের সরকারি মানচিত্র। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে নির্ধারিত ফি দিয়ে মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যায়। জমির অবস্থান ও সীমানা নিশ্চিত করতে এই নথির গুরুত্ব অনেক।

জমির দখল সংক্রান্ত নথি

জমির দখলের আলাদা কোনো কাগজপত্র না থাকলেও দাখিলাই দখলের বৈধ প্রমাণ হিসেবে কাজ করে। তবে আইন শুধুমাত্র বৈধ মালিকের দখলকেই স্বীকৃতি দেয়, জোরপূর্বক দখলকে নয়।

সূত্র: জনকণ্ঠ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়