শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক

প্রকাশিত : ০৫ অক্টোবর, ২০২৫, ০৩:২৯ রাত
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ‘গভীর উদ্বেগ’ ৫ ব্রিটিশ এমপির

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করে যুক্তরাজ্য সরকারের পাশাপাশি জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ বিষয়ে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পাঁচজন ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা। তাদের সঙ্গে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের একজন সদস্য এবং একজন আইনজীবীও রয়েছেন।

শনিবার (৪ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমসের চিঠিপত্র পাতায় তারা বাংলাদেশ নিয়ে তাদের এমন উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন।

চিঠিতে বব ব্ল্যাকম্যান, জাস অ্যাথওয়াল, নিল কোয়েল, গুরিন্দর সিং ও লিউক একহার্স্ট এমপির নাম রয়েছে। টাইমসের এই পাতায় বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ নানা বিষয়ে নিজেদের ভাবনা, প্রতিক্রিয়া কিংবা দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।

এর মধ্যে ‘বাংলাদেশিদের অধিকার’ শিরোনামে নিজেদের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন পাঁচ আইনপ্রণেতা, এক আইনজীবী এবং একজন রাজনীতিক।

চিঠিতে তারা লেখেন, “এক বছরের বেশি সময় আগে বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হয়েছে। আমরা সেখানকার অবনতি ঘটতে থাকা মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।”

আইনপ্রণেতারা বলেন, “এমন অনেক নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদন রয়েছে, যেগুলোতে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার ব্যর্থতা, জামিন দিতে অস্বীকৃতি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ধরপাকড়, আসন্ন নির্বাচনে কিছু দলকে নিষিদ্ধ করা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন চালানোসহ ক্রমবর্ধমান সহিংসতার বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।”

চিঠিতে বলা হয়, “আমরা ব্রিটিশ সরকার, বিশেষ করে পররাষ্ট্র দপ্তর, সেই সঙ্গে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানাই, তারা যেন ন্যায়বিচার ও নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিতে এবং দায়মুক্তির অবসান ঘটাতে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে চাপ দেয়।

“আমরা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন এবং একটি স্থিতিশীল বেসামরিক সরকার প্রতিষ্ঠার আহ্বানও জানাচ্ছি, যা দেশটিতে আস্থা ও জবাবদিহিতা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত জরুরি।”

চিঠিতে নাম থাকা বাকি দুজনের একজন স্টিভেন পাওলস। আন্তর্জাতিক অপরাধ, প্রত্যর্পণ ও মানবাধিকার নিয়ে কাজের ক্ষেত্রে এ ফৌজদারি আইনজীবীর বেশ পরিচিতি রয়েছে।

আরেকজন ব্যারোনেস স্মিথ অব লানফায়েস। তিনি যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ হাউস অব লর্ডসের সদস্য। তিনি ওয়েলসের স্বাধীনতাকামী রাজনৈতিক দল–প্লাইড কামরির রাজনীতিক। অনুবাদ: ইত্তেফাক।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়