শিরোনাম
◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা

প্রকাশিত : ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৩ দুপুর
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বয়সভেদে কার কতটুকু ঘুমের প্রয়োজন

পৃথিবী যত বেশি ব্যস্ত ও কোলাহলমুখর হচ্ছে এবং আমাদের জীবনে স্ক্রিনের ব্যবহার যত বাড়ছে, ততই নির্ভার ও গভীর ঘুম পাওয়া কঠিন হয়ে উঠছে। অথচ ঘুম কোনো বিলাসিতা নয়, এটি মানুষের শরীরের একটি মৌলিক জৈবিক চাহিদা। শৈশবে মস্তিষ্কের সঠিক বিকাশ, প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় স্মৃতিশক্তি সংরক্ষণ এবং বার্ধক্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখা—জীবনের প্রতিটি ধাপে ঘুম অপরিহার্য ভূমিকা রাখে।

বয়স যত কম, ঘুমের প্রয়োজন তত বেশি। সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে সাধারণত প্রতিদিন সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুম দরকার। এই সময়ে শরীর প্রায় ৯০ মিনিটের একাধিক ঘুমচক্রের মধ্য দিয়ে যায়। সতেজ অনুভব করতে ২৪ ঘণ্টায় চার থেকে ছয়টি পূর্ণ চক্র সম্পন্ন হওয়া জরুরি।

প্রতিটি ঘুমচক্রে চারটি আলাদা ধাপ থাকে—

এনআরইএম পর্যায় ১ (হালকা ঘুম): ঘুমের প্রাথমিক ধাপ, যা সাধারণত ৫–১০ মিনিট স্থায়ী হয়। এ সময় মস্তিষ্কের কার্যক্রম ধীরে আসে, তবে সহজেই জেগে ওঠা যায়।

এনআরইএম পর্যায় ২ (হালকা ঘুম): মোট ঘুমের প্রায় অর্ধেক এই পর্যায়ে কাটে। হৃদস্পন্দন ধীর হয়, শরীরের তাপমাত্রা কমে এবং মস্তিষ্ক তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও স্মৃতি সংরক্ষণের কাজ করে।

এনআরইএম পর্যায় ৩ (গভীর ঘুম): এটি শরীরের পুনরুদ্ধারের গুরুত্বপূর্ণ সময়। পেশি গঠন, হাড়ের মেরামত এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করার কাজ এই পর্যায়ে হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গভীর ঘুমের পরিমাণ কমে যায়।

আরইএম ঘুম (স্বপ্নের পর্যায়): ঘুমের প্রায় ৯০ মিনিট পর এই ধাপ আসে। আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও শেখার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকলেও পেশিগুলো সাময়িকভাবে স্থবির থাকে, যাতে স্বপ্ন বাস্তবে রূপ না নেয়।

বয়সভিত্তিক প্রস্তাবিত ঘুমের সময় হলো-

  • ০–৩ মাস: ১৪–১৭ ঘণ্টা
  • ৪–১২ মাস: ১২–১৬ ঘণ্টা
  • ১–৫ বছর: ১০–১৪ ঘণ্টা
  • ৬–১২ বছর: ৯–১২ ঘণ্টা
  • ১৩–১৮ বছর: ৮–১০ ঘণ্টা
  • ১৯–৬৪ বছর: ৭–৯ ঘণ্টা
  • ৬৫ বছরের বেশি: ৭–৯ ঘণ্টা

শিশুদের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ঘুম ভালো মনোযোগ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং মানসিক সুস্থতার সঙ্গে জড়িত। অন্যদিকে, প্রাপ্তবয়স্করা যদি নিয়মিত সাত ঘণ্টার কম ঘুমান, তাহলে ওজন বৃদ্ধি, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক, দীর্ঘস্থায়ী বিষণ্ণতা ও উদ্বেগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই সুস্থ জীবনের জন্য বয়সভেদে পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়