শিরোনাম
◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:০০ রাত
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শীতকালে ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ইসবগুলের ভুসির স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা কম-বেশি সবার জানা। প্রতিদিন এক টেবিল চামচ করে ইসবগুল পানিতে মিশিয়ে খেলে অনেক উপকারিতা পাওয়া যায়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, শীতকালে ইসবগুলের ভুসি খেলে শরীরে কী ঘটে? এটি কি শীতের জন্য উপকারি? চলুন বিস্তারিত জেনে নিই- 

শীতে পানির পিপাসা কম লাগে। তাই শীতের শুরু ও শেষের দিকে বেশি ডিহাইড্রেশনের সমস্যা দেখা দেয়। বেড়ে যায় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা। আর এই সমস্যা এড়াতে দারুণ কার্যকরী ইসবগুলের ভুসি। শীতে এটি খেলে কী কী উপকার হয়? 

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: 
সকালে খালি পেটে কিংবা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পানিতে ভিজিয়ে ইসবগুলের ভুসি খেতে পারেন। চাইলে পানিতে সামান্য চিনি বা মিসরি মেশাতে পারেন। দুধের সাথেও এটি খেতে পারেন। শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়ে, সেই সমস্যা কমাতে ইসবগুল সাহায্য করে। পাইলস রোগীদের সারাবছর ইসবগুলের শরবত খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। 

ডায়রিয়া প্রতিরোধ: 
শীতে অনেকেই ডায়রিয়ায় ভুগেন। এই সমস্যা থেকে বাঁচার দারুণ টনিক হলো ইসবগুলের ভুসি ও দই। এ দুটো উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে খেলে ডায়রিয়া থেকে মুক্তি মিলবে সহজেই।

ওজন কমায়: 
ইসবগুলের ভুসিতে আছে ফাইবার, ফলে হজম প্রক্রিয়া অনেক ধীরগতিতে হয়। ফলে ক্ষুধা লাগে অনেক কম। তাই ইসবগুল খেলে ওজন কমানো অনেক সহজ হয়ে যায়।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ: 
ইসবগুলের ভুসিতে আছে জিলাটিন নামের একটি উপাদান; যা দেহে গ্লুকোজের শোষণ ও ভাঙার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। ফলে, রক্তে সহজে সুগারের পরিমাণ বাড়তে পারে না। অর্থাৎ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এটি সাহায্য করে। 

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: 
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইসবগুলের শরবত খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। উচ্চ রক্তচাপের পাশাপাশি টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীর জন্যও ইসবগুলের শরবত দারুণ পথ্য হিসেবে বিবেচিত।

রক্তে কোলেস্টেরল কমায়: 
ইসবগুলের ভুসি খেলে আমাদের অন্ত্রে এক ধরনের স্তর তৈরি হয়। যা কোলেস্টেরল শোষণে বাধা দেয়। ফলে, আমাদের রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। তাই, হৃদরোগীদের জন্য এটি দারুণ একটি খাদ্য। সূত্র: ঢাকা মেইল

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়