শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক

প্রকাশিত : ২৭ মার্চ, ২০২৬, ০৪:৫১ দুপুর
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১২ বছরের শিশুদের যুদ্ধের ময়দানে নামানোর সিদ্ধান্ত ইরানের

ইরানের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ‘ইসলামিক রিভল্যুশনারি গার্ড কোর’ (আইআরজিসি) যুদ্ধের বিভিন্ন সহায়তা ও নিরাপত্তা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য শিশুদের সর্বনিম্ন বয়স কমিয়ে ১২ বছর নির্ধারণ করেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই চাঞ্চল্যকর ঘোষণা দেন।

তেহরানে আইআরজিসির সাংস্কৃতিক বিষয়ক কর্মকর্তা রহিম নাদালি জানিয়েছেন, ‘ফর ইরান’ (ইরানের জন্য) নামক একটি বিশেষ উদ্যোগের আওতায় এই নিয়োগ প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে অপ্রাপ্তবয়স্কদের টহল দল, চেকপোস্ট এবং রসদ সরবরাহের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও নিরাপত্তা কাজে ব্যবহার করা হবে।

নাদালি বলেন, “যেহেতু স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে এগিয়ে আসা ব্যক্তিদের বয়স আগের চেয়ে কমেছে এবং তারা অংশ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছে, তাই আমরা সর্বনিম্ন বয়স কমিয়ে ১২ বছর করেছি।” তিনি আরও যোগ করেন যে, ১২ ও ১৩ বছর বয়সীরা এখন থেকে তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী এসব কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নিতে পারবে।

এই ঘোষণা বিশ্বজুড়ে শিশু অধিকার কর্মীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। এর আগে ২০২২ সালে মাহসা আমিনীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বিক্ষোভের সময়ও ইরানজুড়ে সামরিক পোশাকে শিশুদের টহল দিতে দেখা গিয়েছিল, যা আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়। এছাড়া ২০১৬ সালের শুরুর দিকে ইরানে বিক্ষোভ দমনের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ২০০-এর বেশি শিশু নিহতের অভিযোগ করেছে ‘সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস ইন ইরান’।

মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বারবার অভিযোগ করে আসছে যে, ইরানি কর্তৃপক্ষ শিশুদের আটক, নির্যাতন এবং এমনকি বিক্ষোভ দমনে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক আইন ও ‘শিশু অধিকার সনদ’ লঙ্ঘন করছে। ইরানের ৩ কোটির বেশি শিশু শ্রমিকের বর্তমান নাজুক পরিস্থিতির মধ্যে সামরিক কাজে শিশুদের ব্যবহারের এই নতুন ঘোষণা দেশটিকে আরও বড় ধরনের মানবাধিকার সংকটের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়