শিরোনাম
◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:১৭ সকাল
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এক সপ্তাহের ব্যবধানে বঙ্গোপসাগরে ভারতের দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা

বঙ্গোপসাগরে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি দুটি ‘প্রলয়’ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। ইউজার ইভ্যালুয়েশন ট্রায়ালের অংশ হিসেবে এই উৎক্ষেপণকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে গত ২৫ ডিসেম্বর পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন আইএনএস আরিঘাট থেকে কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায় দেশটি। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ওড়িশা উপকূলের চাঁদিপুরে অবস্থিত ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জের কাছে স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে এই পরীক্ষা চালানো হয়। দুটি ক্ষেপণাস্ত্রই নির্ধারিত গতিপথ অনুসরণ করে এবং সব ধরনের লক্ষ্য পূরণ করে। ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জে মোতায়েন করা ট্র্যাকিং সেন্সরগুলো ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যকারিতা নিশ্চিত করে। আর আঘাতস্থলের কাছাকাছি অবস্থানরত একটি জাহাজে বসানো টেলিমেট্রি সিস্টেমের মাধ্যমে শেষ পর্যায়ের ঘটনাগুলো যাচাই করা হয়।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ‘প্রলয়’ একটি সলিড প্রপেল্যান্টচালিত, কোয়াসি-ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি। ক্ষেপণাস্ত্রটি যেওন নির্ভুলভাবে লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারে, সেজন্য এতে উন্নত গাইডেন্স ও ন্যাভিগেশন সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। এটি বিভিন্ন ধরনের ওয়ারহেড বহনে সক্ষম এবং নানাবিধ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।

এই ক্ষেপণাস্ত্রটি তৈরি করেছে হায়দরাবাদের রিসার্চ সেন্টার ইমারাত। ভারত ডায়নামিক্স লিমিটেড ও ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড উৎপাদন অংশীদার হিসেবে কাজ করেছে।

পরীক্ষার সময় ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ডিআরডিও) ঊর্ধ্বতন বিজ্ঞানী, ভারতীয় বিমান বাহিনী ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি এবং শিল্পখাতের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের বরাতে জানানো হয়েছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সফল উৎক্ষেপণের জন্য ডিআরডিও, সশস্ত্র বাহিনী, প্রতিরক্ষা খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, সালভো উৎক্ষেপণ সম্পন্ন হওয়ার মাধ্যমে ‘প্রলয়’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার নির্ভরযোগ্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

সূত্র: চ্যানেল ২৪ 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়