শিরোনাম
◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা

প্রকাশিত : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:১৪ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নিপাহ ভাইরাস কি ছড়িয়ে পড়বে, যা বললো ডব্লিউএইচও

ভারত ও বাংলাদেশে সম্প্রতি নিপাহ ভাইরাসে তিনজন আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা নিশ্চিত হলেও এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কম বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হওয়া নিপাহ ভাইরাসের কোনো টিকা নেই এবং এতে মৃত্যুহার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশের মধ্যে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউএইচও প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস বলেন, ‘গত কয়েক সপ্তাহে নিপাহ ভাইরাসের তিনটি ঘটনা- দুটি ভারতে এবং একটি বাংলাদেশে- সংবাদ শিরোনাম হয়েছে এবং বড় ধরনের প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কা তৈরি করেছে।’

তিনি জানান, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে নিপাহ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি মূল্যায়ন করে ডব্লিউএইচও দেখেছে যে এর ঝুঁকি কম।
 
গত মাসে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে নিপাহ’র দুটি সংক্রমণ নিশ্চিত হয়। অন্যদিকে, বাংলাদেশে গত সপ্তাহে একজন রোগী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। 
  
ডব্লিউএইচও প্রধান বলেন, দুটি প্রাদুর্ভাব পরস্পর সম্পর্কিত নয়। যদিও উভয় ঘটনাই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘটেছে এবং একই ধরনের পরিবেশগত ও সাংস্কৃতিক পরিস্থিতি রয়েছে। পাশাপাশি, সেখানে নিপাহ ভাইরাসের প্রাকৃতিক বাহক হিসেবে পরিচিত ফলখেকো বাদুড়ের উপস্থিতিও আছে।

নিপাহ ভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় ১৯৯৮ সালে। সেসময় মালয়েশিয়ায় শূকর খামারিদের মধ্যে এটি ছড়িয়ে পড়ে। ভারতে প্রথম নিপাহ প্রাদুর্ভাবের ঘটনা ২০০১ সালে পশ্চিমবঙ্গে রিপোর্ট করা হয়।
 
২০১৮ সালে ভারতের কেরালা রাজ্যে নিপাহ ভাইরাসে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়। একই রাজ্যে ২০২৩ সালেও এই ভাইরাসে দু’জনের মৃত্যু হয়।
 
নিপাহ সংক্রমণের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে তীব্র জ্বর, বমি ও শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ। গুরুতর ক্ষেত্রে খিঁচুনি ও মস্তিষ্কে প্রদাহ দেখা দিতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত কোমায় পরিণত হতে পারে। সূত্র: দ্য ডন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়