শিরোনাম
◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৭:২৫ বিকাল
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বঙ্গমাতা হলের ভিপি নির্বাচিত হলেন হবিগঞ্জের নাবিলা

কিবরিয়া চৌধুরী, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে জয়লাভ করেছেন নবীগঞ্জের কৃতি সন্তান তাসনিম আক্তার আলিফ নাবিলা। তিনি বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল সংসদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

তাসনিম আক্তার আলিফ নাবিলা হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের ভরগাঁও গ্রামের মরহুম মো: আক্তার মিয়ার কন্যা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০১৯–২০ সেশনের শিক্ষার্থী। 

নাবিলার এই অর্জনকে শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং নবীগঞ্জ তথা হবিগঞ্জবাসীর জন্য এক গর্বের বিষয় হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। দীর্ঘদিন পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গনে নবীগঞ্জের একজন শিক্ষার্থী নেতৃত্বের আসনে পৌঁছানো এলাকায় আনন্দের আমেজ সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষানুরাগী মহল নাবিলাকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে নবীগঞ্জের মেয়ে জায়গা করে নেওয়া নিঃসন্দেহে ঐতিহাসিক ঘটনা। এ অর্জন নবীগঞ্জের তরুণ সমাজকে নতুন করে অনুপ্রাণিত করবে।

বিজয়ের পর অনুভূতি প্রকাশ করে নাবিলা বলেন, ১০–১১ বছর বয়স থেকে লালিত একটি স্বপ্ন পূরণ করার লক্ষ্য নিয়েই আমি ডাকসু নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। আমি বিশ্বাস করি, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের মাঝে একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন তৈরি করতে পারবো। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়া ও সমস্যা সমাধানে নিরলসভাবে কাজ করবো।

তিনি আরও বলেন, আমি এই হলের প্রতিটি শিক্ষার্থীর প্রতিনিধি। আবাসিক হোক বা অনাবাসিক। আমার প্রতিশ্রুতি শুধু কথায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং বাস্তবায়নযোগ্য একটি পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে আমি কাজ করবো। নেতৃত্ব মানে কেবল সমস্যার কথা বলা নয়, বরং সমাধানের পথ দেখানো।

শেষে সকল শিক্ষার্থীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নাবিলা বলেন, আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করায় আমি প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। তাদের এই আস্থা ও ভালোবাসাই আমার শক্তি। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, এই আস্থা অটুট রাখতে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়