শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক

প্রকাশিত : ১২ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:৫৩ বিকাল
আপডেট : ২৭ মে, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

শ্রমিকের অধিকার নিজেরা  ছিনিয়ে না নিলে কখনো অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে না: মঈন খান

মনিরুল ইসলাম: শ্রমিকের অধিকার  নিজরা ছিনিয়ে না নিলে কখনো অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।

আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

শ্রমিকরাই মূলত দেশ গড়ার কারিগর উল্লেখ করে ড. মঈন খান বলেন, ১৮৮৬ সালে যেদিন শ্রমিকেরা বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছিল। আজকে শ্রমিকের অধিকার নিয়ে আপনারা যে দাবিদাওয়ার কথা তুলে ধরেছেন। সে সময়ও দাবি দাওয়া ছিল শ্রমিকেরা ৮ ঘণ্টা কাজ করবে।

সেদিন থেকে শুরু করে আজকে প্রায় ১৫০ বছরেরও অধিক সময় পার হয়ে গেছে তবুও তারা তাদের এই দাবি বাস্তবায়ন করতে পারেনি। 

তিনি বলেন, আজকে অধিকাংশ সময়ই শ্রমিকরা যে দাবী দেওয়ার কথা বলে সেগুলো ঠিক সেই ১৮৮৬ সালেও ছিল। 

প্রায় দেড়শ বছরেও শ্রমিকদের অনেক দাবি আজও পূরণ করা হয়নি মন্তব্য করে সাবেক এই পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, আজ কেন শ্রমিকের সেই অধিকার গুলো আদায় হয়নি। কাদের কারণে হয়নি? শ্রমিকরা যদি দেশ গড়ার কারিগর হয়ে থাকে তাদের দাবি-দাওয়া দেশ পূরণ করবে না? দেশের নেতৃত্ব কেন পূরণ করবে না?-যোগ করেন তিনি। 

বিএনপি'র সিনিয়র এই নীতিনির্ধারক আরো বলেন, আমরা উদারনীতি রাজনীতি করি। আমি পরিকল্পনা মন্ত্রী থাকা অবস্থায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাকে বলেছেন, শুধু প্রাইভেট সেক্টরে উন্নয়ন নয়, উন্নয়নটাকে গ্রামীন গ্রামেগঞ্জে ছড়িয়ে দিতে হবে। গ্রামের মানুষের উন্নয়নের নিশ্চিত করতে হবে। 

উন্নত দেশের চেয়ে আমাদের দেশে চ্যালেঞ্জগুলো অনেক বড় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই চ্যালেঞ্জগুলো শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলগুলো মোকাবেলা করলে হবে না। সাধারণ মানুষ, শ্রমিক জনতা যদি রাজনৈতিক দলগুলোর উপর সঠিকভাবে চাপ প্রয়োগ করতে পারে। সঠিকভাবে যদি রাজনৈতিক দলগুলোর উপর চাপ প্রয়োগ করা যায় তাহলে কিন্তু জবাবদিহিতা নিশ্চিত হতে পারে। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার যে সংগ্রাম পৃথিবীতে চলমান রয়েছে। আমাদের সেটি চালিয়ে নিতে হবে। কেননা শ্রমিকের অধিকার ছিনিয়ে না নিলে কখনো অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে না। 

শ্রমিক অধিকার এডভোকেসি এলায়েন্স(বিলস) আয়োজিত এ সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলি আকন্দ, বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা নাজমুল হক প্রধান, গণ অধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান, এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আরিফুর রহমানসহ সংগঠনের দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়