শিরোনাম
◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

প্রকাশিত : ০৫ অক্টোবর, ২০২৫, ০৫:১৮ বিকাল
আপডেট : ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নাম পরিবর্তন ও নেতৃত্বের জটিলতায় আটকে এনসিপি–গণঅধিকার একীভূতকরণ

একীভূত হচ্ছে না, জাতীয় নাগরিক পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদ। সেই প্রক্রিয়া থেকে সরে এসেছে, দল দুটি। এনসিপি বলছে, এক হওয়া জটিল প্রক্রিয়া। এই মুহূর্তে নাম পরিবর্তন করে নতুন নিবন্ধন নেয়া কঠিন। তবে এ জন্য এনসিপিকে দুষছে গণঅধিকার পরিষদ। 

তারুণ্য নির্ভর দল জাতীয় নাগরিক পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদ। সম্প্রতি রাজনীতির ময়দানে আলোচনা দল দুটির একীভূত হওয়ার বিষয়টি। জানানো হয় নাম থাকবে এনসিপিই। এ জন্য কয়েক দফা বৈঠকও হয় দ’দুটির মধ্যে।

তবে কিছু দিন না যেতেই হোঁচট খেলো একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়া। এনসিপি নেতারা বলছেন, দু’দল এক হওয়ার বিষয়টি জটিল প্রক্রিয়ায় চলে গেছে, একীভূত হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, বাস্তবতা আমাদের সামনে নির্বাচন, এখন নাম পরিবর্তন করে নতুন নামে আবার নিবন্ধন নেয়া এ বাস্তবতা কিন্তু নেই। দুটো দলই যেহেতু নিবন্ধিত, আগের যে কোনো নামেই থাকতে হবে। সেক্ষেত্রে ছাড় কারা দিবে এটা হচ্ছে মূল বিষয়। আমরা আমাদের দিক থেকে দেখছি এনসিপি নামটা পরিবর্তন করার বাস্তবতা এই মুহূর্তে নেই। 

এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন বলেন, একদম প্রত্যন্ত পর্যায়ে প্রতিটি দলেরই সাংগঠনিক ভিত্তি রয়েছে। তৃণমূল থেকে আসলে কিভাবে মার্জটা হবে, এটা এই মুহূর্তে হওয়ার সম্ভাবনাটা হয়ত ক্ষীণ। যেহেতু সামনে নির্বাচন চলে আসছে এবং দুটো রাজনৈতিক দলেরই আলাদা আলাদা স্বক্রিয়তা আছে, আলাদা আলাদা সমর্থন বেইজ রয়েছে। 

এ জন্য এনসিপির ওপর দায় চাপালেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। জানান, এনসিপির কিছু নেতার বক্তব্যের কারণেই তা সম্ভব হচ্ছে না।

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, আমরা তো এক হতে চাই। আমাদের আন্তরিকতা রয়েছে, উদারতা রয়েছে। মূল বাধাটা হলো এনসিপির কয়েকজন নেতা মনে করে যে আমরা এক হয়ে গেলে তাদের পদ-পদবী পেছনে চলে যাবে। এই হীনমন্যতার জায়গা থেকে তাদের কয়েকজন মনে করছে যে, আমরা এক না হই।

তিনি আরও বলেন, একীভূত হওয়ার ক্ষেত্রে তাদের (এনসিপি) কয়েকজন নেতা যে ধরণের অপরিপক্ক বা বক্তব্য এটির কারণে আসলে আমাদের আগ্রহ মলিন হয়ে পড়ছে। বড় দলের ছোট নেতা হওয়া ভালো, কিন্তু ছোট দলের প্রেসিডেন্ট হয়ে কোনো মূল্য নেই। কারণ এনসিপি যদি মনে করে তারা এ ধরণের ছোট দলই থাকবে বড় হবে না তাহলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। 

গণঅধিকার পরিষদের নিবন্ধন ও দলীয় প্রতীক থাকলেও, এনসিপির নিবন্ধন ও দলীয় প্রতীক পাবার প্রক্রিয়া এখনও শেষ হয়নি। উৎস: চ্যানেল২৪

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়