শিরোনাম
◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান

প্রকাশিত : ০৬ অক্টোবর, ২০২৫, ০১:০৮ রাত
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পে স্কেল কাঠামোর বাইরে রয়েছেন যারা

জুডিসিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের সভায় অধস্তন আদালতের সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি নিয়ে কোনো আলোচনা না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন। রোববার সংগঠনটির সভাপতি রেজোয়ান খন্দকার ও সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. সালাউদ্দিনের স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ক্ষোভ জানানো হয়। একই সঙ্গে তাদের জুডিসিয়াল সার্ভিস বেতন স্কেলের আলোকে বেতন-ভাতা প্রদানসহ বিদ্যমান জুডিসিয়াল সার্ভিস বেতন স্কেলের ১ম-৬ষ্ঠ গ্রেডের পরবর্তী ৭ম-১২তম গ্রেডভুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কমিশনের কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ এবং বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণ বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হলেও অধস্তন আদালতে কর্মরত সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের ন্যায্য দাবি স্থান পায়নি। সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক কমিশন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া ৯ অক্টোবর কমিশন সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের (বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, আইন মন্ত্রণালয়, আইন কমিশন ও বিচার প্রশাসন ইন্সটিটিউট) সঙ্গে বিচারকগণের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণ বিষয়ে মতবিনিময় করবেন। কিন্তু সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আলোচনার বাইরে। কমিশনের আলোচনায় বিচার বিভাগে কর্মরত একমাত্র বিচারকের বেতন ভাতা বিষয়ে আলোচনা হলেও অধস্তন আদালতের সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে সিদ্ধান্ত এ আলোচনায় উল্লেখ নেই। অথচ দেশের বিচার বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনায় প্রায় ২০ হাজার সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দিনরাতের শ্রমই বিচার বিভাগকে সচল রাখে।

এ বিষয়ে সংগঠনটির সভাপতি মো. রেজোয়ান খন্দকার বলেন, বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠায় যে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছেন, তাতে অধস্তন আদালতের সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নের কোনো প্রতিফলন নেই। বিচার বিভাগের মর্যাদা রক্ষায় প্রথম শর্তই হলো বৈষম্যহীন কাঠামো নিশ্চিত করা।

সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. সালাউদ্দিন বলেন, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার গ্রহণ করার পরে সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত থাকলেও অধস্তন আদালতের সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য দাবির বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ হয়নি। ৯ অক্টোবরের সভায় যদি সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হয় এবং ২০২৫ সালের জুডিসিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের প্রতিবেদনে যদি আবারও কর্মচারীরা বঞ্চিত হন তাহলে লাগাতার শাটডাউনসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার জন্য অ্যাসোসিয়েশন প্রস্তুত থাকবে। উৎস: যুগান্তর।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়