শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন

প্রকাশিত : ৩১ মার্চ, ২০২৬, ০৮:১৮ সকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পানিতে ডুবে গেলে যেভাবে উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হবে

গরম পড়লেই অনেকেই স্বস্তির খোঁজে পানিভর্তি পুকুর, নদী, লেক বা সমুদ্রে নামেন। মুহূর্তের মধ্যে ঠান্ডা পানিতে আরাম মিললেও, এসব জায়গা কখনও কখনও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

আমরা অনেকেই মনে করি, সাঁতার জানলেই নিরাপদ—কিন্তু বাস্তবে ডুবে যাওয়ার ঘটনা খুব দ্রুত ঘটে এবং অনেক সময় তা চোখেও পড়ে না। তাই সচেতন থাকা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে জানা অত্যন্ত জরুরি।

খোলা পানিতে নামার আগে কিছু বিষয় মনে রাখা দরকার। ঠান্ডা পানি ও স্রোত অনেক সময় অভিজ্ঞ সাঁতারুকেও বিপদে ফেলতে পারে, তাই যেখানে ‘নিরাপদ নয়’ বলা আছে, সেখানে নামা উচিত নয়।

গরম আবহাওয়াতেও পানির তাপমাত্রা কম থাকতে পারে, যা হাইপোথার্মিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

সবসময় পাড়ের কাছাকাছি থাকা ভালো, যেন প্রয়োজনে দ্রুত উঠে আসা যায়।

কখনো একা সাঁতার কাটা ঠিক নয়, আর শিশুদের ক্ষেত্রে অবশ্যই নজরদারি রাখতে হবে। লাইফগার্ড থাকা জায়গায় নামা সবচেয়ে নিরাপদ।

যদি কারও ডুবে যাওয়ার ঘটনা চোখে পড়ে, তাহলে দ্রুত কিন্তু সতর্কভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রথমে তাকে পানি থেকে তুলে শ্বাস-প্রশ্বাস চলছে কি না তা পরীক্ষা করতে হবে। একই সঙ্গে অন্য কাউকে জরুরি সাহায্যের জন্য ফোন করতে বলা উচিত। এরপর পাঁচবার রেসকিউ ব্রিদ দিতে হবে—মুখে মুখ লাগিয়ে বাতাস দিতে হবে এবং নাক চেপে ধরতে হবে। সিপিআরও খুব গুরুত্বপূর্ণ—বুকের মাঝখানে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় দুইবার করে জোরে চাপ দিতে হবে।

যদি ব্যক্তি সাড়া দেয়, শ্বাস নিতে শুরু করে বা চোখ খোলে, তাহলে তাকে গরম রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। আর যদি সাড়া না মেলে, তাহলে সাহায্য আসা পর্যন্ত শ্বাস দেওয়া ও সিপিআর চালিয়ে যেতে হবে।

পানি যেমন প্রশান্তি দেয়, তেমনি বিপদের কারণও হতে পারে। তাই আনন্দের মুহূর্ত যেন দুর্ঘটনায় না বদলে যায়, সেজন্য প্রয়োজন সতর্কতা ও প্রস্তুতি। মনে রাখতে হবে, সামান্য সচেতনতা ও সঠিক সময়ে নেওয়া পদক্ষেপ একটি জীবন বাঁচাতে পারে।

সূত্র: ব্রিটিশ রেডক্রস

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়