শিরোনাম
◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

প্রকাশিত : ০৩ মার্চ, ২০২৬, ০৮:৩৮ রাত
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোজায় অ্যাসিডিটির সমস্যা: ইফতারে লেবু পানি নাকি দুধ, কোনটা বেশি কার্যকর?

রোজার সময় দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকার কারণে অনেকেরই অম্বল, বুকজ্বালা বা অ্যাসিডিটির সমস্যা বেড়ে যায়। তাই ইফতারে কেউ লেবু পানি পান করেন, আবার কেউ গরম দুধকে মনে করেন অম্বল কমানোর সহজ উপায়। তবে এ দুই পানীয় আসলেই কতটা কার্যকর—তা নিয়ে রয়েছে ভিন্ন মত।

রোজায় অ্যাসিডিটি বাড়ার কারণ

দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে পাকস্থলীতে অ্যাসিড জমে থাকে। ইফতারের সময় হঠাৎ অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, ঝাল বা ভারী খাবার খেলে সেই অ্যাসিড সক্রিয় হয়ে বুকজ্বালা ও অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া, চা-কফি বা কোমল পানীয় বেশি গ্রহণ করলেও সমস্যা বাড়তে পারে। অনেকেই মনে করেন লেবু শরীরে ক্ষারধর্মী প্রভাব ফেলায় লেবু পানি অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে।

চিকিৎসকরা জানান, লেবুতে সাইট্রিক অ্যাসিড থাকায় খালি পেটে বা তীব্র অ্যাসিডিটির সময় লেবু পানি অনেকের ক্ষেত্রে অস্বস্তি বাড়াতে পারে। তবে কুসুম গরম পানিতে অল্প লেবু মিশিয়ে খেলে কিছু মানুষের উপকার হতে পারে। যাদের আগে থেকেই গ্যাস্ট্রিক আলসার বা তীব্র রিফ্লাক্স রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে লেবু পানি সতর্কতার সঙ্গে খাওয়া উচিত।

দুধে কি সত্যিই আরাম মেলে?

অম্বলের সমস্যা হলে অনেকেই দুধ পান করেন, কারণ এটি সাময়িকভাবে পাকস্থলীর অ্যাসিড কমিয়ে স্বস্তি দিতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, পূর্ণচর্বিযুক্ত দুধ কিছু সময় পর আবার অ্যাসিড নিঃসরণ বাড়াতে পারে। ফলে সাময়িক স্বস্তির পর সমস্যা ফিরে আসার আশঙ্কা থাকে। তাই দুধকে স্থায়ী সমাধান হিসেবে ধরা ঠিক নয়। প্রয়োজনে অল্প পরিমাণে হালকা গরম বা কম চর্বিযুক্ত দুধ পান করা যেতে পারে।

অ্যাসিডিটি কমাতে যা করবেন

  • ইফতার শুরু করুন হালকা ও সহজপাচ্য খাবার দিয়ে
  • অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, ঝাল ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন
  • ধীরে ধীরে খান, একবারে বেশি খাবেন না
  • ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করুন
  • চা, কফি ও কোমল পানীয় কমিয়ে দিন
  • প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করুন

চিকিৎসকদের মতে, অ্যাসিডিটি কমানোর কোনো একক ঘরোয়া উপায় সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর নয়। নিয়মিত খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রায় শৃঙ্খলা বজায় রাখাই সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন

রোজার সময় বারবার তীব্র বুকজ্বালা, গিলতে সমস্যা, বমি বা কালচে পায়খানার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। এগুলো গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

রোজায় লেবু পানি বা দুধ—দুটিই কারও ক্ষেত্রে সাময়িক আরাম দিতে পারে, আবার কারও ক্ষেত্রে সমস্যা বাড়াতেও পারে। তাই প্রচলিত ধারণার ওপর নির্ভর না করে নিজের শারীরিক অবস্থার সঙ্গে মিলিয়ে খাবার নির্বাচন করাই উত্তম।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়