শিরোনাম
◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

প্রকাশিত : ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৪ দুপুর
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তৈলাক্ত ত্বকের সঠিক যত্ন করবেন যেভাবে

তৈলাক্ত ত্বক অনেকের কাছেই বিরক্তির আরেক নাম। সকালবেলা মুখ ধুয়ে বের হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই কপাল, নাক আর গাল চকচক করতে শুরু করে। মেকআপ বেশিক্ষণ টেকে না, আর ব্রণ–পিম্পল যেন নিত্যসঙ্গী। কিন্তু জানেন কি? সঠিক যত্ন আর ঠিক প্রোডাক্ট ব্যবহার করলে এই তৈলাক্ত ত্বকই হতে পারে সুস্থ, পরিষ্কার আর প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল। 

চলুন জেনে নেওয়া যাক, তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে কী কী বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি। 

১. ক্লেনজিং: স্কিন কেয়ারের প্রথম ধাপ

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল সঠিকভাবে মুখ পরিষ্কার করা।  তবে দিনে দুবারের বেশি মুখ ধোয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ অতিরিক্ত ক্লেনজিং ত্বককে শুষ্ক করে দেয়, ফলে ত্বক আরও বেশি তেল উৎপাদন করতে শুরু করে।

জেল-বেসড বা ফোমিং ক্লেনজার ব্যবহার করুন, যেখানে স্যালিসিলিক অ্যাসিড বা টি–ট্রি অয়েল রয়েছে। এগুলো অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করে এবং পোরস পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। 

২. ময়েশ্চারাইজার: তৈলাক্ত ত্বকের জন্যও জরুরি

অনেকে মনে করেন তৈলাক্ত ত্বকে ময়েশ্চারাইজারের দরকার নেই—এ ধারণা একেবারেই ভুল। ত্বক পর্যাপ্ত আর্দ্রতা না পেলে নিজেকে বাঁচাতে আরও বেশি তেল তৈরি করে।

তাই অয়েল-ফ্রি বা ওয়াটার-বেসড, হালকা ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন। এতে ত্বক হাইড্রেটেড থাকবে, কিন্তু ভারি বা চিটচিটে লাগবে না। 

৩. এক্সফোলিয়েশন: পোরস পরিষ্কার রাখার চাবিকাঠি 

সপ্তাহে ১–২ বার হালকা এক্সফোলিয়েশন মৃত কোষ দূর করে এবং পোরস বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। খুব শক্ত স্ক্রাব ব্যবহার না করাই ভালো।

এর বদলে এএইচএ বা বিএইচএ জাতীয় কেমিক্যাল এক্সফোলিয়েন্ট ব্যবহার করলে ত্বক পরিষ্কার থাকে এবং ব্রণ কম হতে সাহায্য করে। 

৪. সানস্ক্রিন: তৈলাক্ত ত্বকের অদৃশ্য রক্ষাকবচ

অনেকেই মনে করেন সানস্ক্রিন শুধু শুষ্ক ত্বকের জন্য, কিন্তু এটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্যও সমান জরুরি। জেল-বেসড বা ম্যাট ফিনিশ সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন, যাতে এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি থাকে।

সানস্ক্রিন ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করে, পাশাপাশি পিগমেন্টেশন ও প্রিম্যাচিউর এজিং কমাতেও সাহায্য করে।

৫. খাদ্যাভ্যাস ও পানির গুরুত্ব

ত্বকের অতিরিক্ত তেল উৎপাদনের পেছনে খাদ্যাভ্যাসের বড় ভূমিকা রয়েছে। ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত চিনি ও ফাস্ট ফুড কমিয়ে ফল, সবজি আর স্বাস্থ্যকর খাবার বেশি খান।

দিনে অন্তত ২–৩ লিটার পানি পান করলে শরীর ও ত্বক স্বাভাবিকভাবেই ডিটক্স হয়, যা ত্বককে রাখে সতেজ ও প্রাণবন্ত।

তৈলাক্ত ত্বক মানেই খারাপ ত্বক নয়। বরং এই ধরনের ত্বকে ভাঁজ তুলনামূলকভাবে দেরিতে পড়ে। এ ধরনের ত্বকের জন্য কেবল প্রয়োজন নিয়মিত যত্ন আর সঠিক প্রসাধনী ব্যবহার করা। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়