শিরোনাম
◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:০১ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোন শিল্পপতিকে বাঁচাতে হাসিনাকে দিল্লিতে আশ্রয়, অমিত শাহকে প্রশ্ন অভিষেকের! (ভিডিও)

তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবারই ভারতের কেন্দ্র সরকারকে বিভিন্ন ইস্যুতে প্রশ্ন বিদ্ধ করছেন। শুক্রবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কলকাতা থেকে তা প্রকাশ করার পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে নিশানা করে যথেষ্ট আক্রমণাত্মক বক্তব্য পেশ করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ- শাহ’র ভাষণ থেকে স্পষ্ট যে, বাংলার পরিস্থিতির কথা বলতে গিয়ে তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে তুলনা করেছেন। আর তাতেই তীব্র আপত্তি রাজ্যের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের। শুক্রবার বিকালে তৃণমূল কংগ্রেস ভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার সরাসরি প্রশ্ন ছিল, ‘শেখ হাসিনা দিল্লিতে কী করছেন? কোন শিল্পপতিকে বাঁচাতে হাসিনাকে আশ্রয় দেয়া হয়েছে?’

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি কেবল দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্কের খাতিরে নয়, বরং এর পেছনে গভীর কোনো অর্থনৈতিক সমীকরণ থাকতে পারে। তিনি সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন যে, ভারতের কোনো নির্দিষ্ট শিল্পগোষ্ঠী বা আদানি-আম্বানির মতো বড় কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ রক্ষা করতেই কি মোদি সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে? তার দাবি, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ভারতের এ হস্তক্ষেপ বা হাসিনাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার পেছনে আসলে কর্পোরেট স্বার্থ লুকিয়ে আছে।

তৃণমূল নেতার এই আক্রমণের পটভূমি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে চলে আসেন। ভারত সরকার মানবিক কারণে তাকে সাময়িক আশ্রয় দেওয়ার কথা জানালেও দীর্ঘ সময় পার হয়ে যাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে দেশের অভ্যন্তরেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এ সুযোগটিকেই কাজে লাগিয়ে মোদী সরকারের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির সমালোচনা করেছেন। তিনি মনে করেন, সাধারণ মানুষের করের টাকায় বিদেশি নেতাদের আতিথেয়তা দেওয়ার চেয়ে দেশের বেকারত্ব বা মূল্যবৃদ্ধির দিকে নজর দেওয়া বেশি জরুরি ছিল।

তিনি আরও অভিযোগ করেন , বিজেপি সরকার আসলে জনস্বার্থের চেয়ে তাদের ঘনিষ্ঠ শিল্পপতি বন্ধুদের ব্যবসায়িক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বেশি আগ্রহী। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত বা অন্যান্য বড় প্রকল্পে ভারতের যে শিল্পগোষ্ঠীগুলোর বিনিয়োগ রয়েছে, হাসিনা ক্ষমতায় না থাকলে বা ভারত থেকে কলকাঠি না নাড়লে সেই বিনিয়োগ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে— এমন একটি ধারণা থেকেই হাসিনাকে দিল্লিতে রাখা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। অভিষেকের এই বক্তব্য কেবল রাজনৈতিক আক্রমণ নয়, বরং এটি ভারতের বৈদেশিক নীতি ও দেশের বড় পুঁজিপতিদের মধ্যকার যোগসূত্র নিয়ে এক বড়সড় বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়