শিরোনাম
◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৩:৪৭ দুপুর
আপডেট : ১৯ মে, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কারাগারেই প্রেম, এবার বিয়ে করতে যাচ্ছেন দুই ভয়ংকর খুনি

কারাগারে শুরু হওয়া প্রেম এখন পূর্ণতা পেত যাচ্ছে, বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন দুজন সাজাপ্রাপ্ত খুনি। রাজস্থান হাইকোর্ট এই খুনি জুটিকে বিয়ের জন্য ১৫ দিনের জরুরি প্যারোল মঞ্জুর করেছেন।

কনে প্রিয়া শেঠ ওরফে নেহা শেঠ এবং বর হনুমান প্রসাদ আজ শুক্রবার আলওয়ারের বারোদামেভে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হবেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের এমন বিয়ে নিয়ে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভারতের রাজস্থানের একটি কারাগারে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন হত্যামামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত এই নারী ও পুরুষ। প্রায় ছয় মাস আগে সাঙ্গানের ওপেন জেলেই প্রথম দেখা হয় প্রিয়া ও হনুমানের। সেখান থেকেই আলাপ এবং পরবর্তী সময় প্রেমের শুরু। দুজনেই দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও জীবনসঙ্গী হিসেবে একে অপরকে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

এরপর বিয়ের অনুমতির জন্য আদালতের দ্বারস্থ হন তারা।
প্রিয়া শেঠ একজন মডেল। ২০১৮ সালের মে মাসে টিন্ডার অ্যাপের মাধ্যমে দুষ্যন্ত শর্মা নামের এক যুবকের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন তিনি। উদ্দেশ্য ছিল অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়।

প্রিয়া ও তার তৎকালীন প্রেমিক মিলে দুষ্যন্তের বাবার কাছে ১০ লাখ রুপি দাবি করেন। পরিবার ৩ লাখ রুপি দিলেও পুলিশের হাতে ধরা পড়ার ভয়ে প্রিয়া ও তার সহযোগীরা মিলে দুষ্যন্তকে নৃশংসভাবে হত্যা করেন। পরিচয় গোপন করতে তার মুখে অসংখ্য ছুরিকাঘাত করা হয় এবং মরদেহটি একটি সুটকেসে ভরে আমের পাহাড়ে ফেলে দেওয়া হয়। এই মামলায় প্রিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সাঙ্গানের ওপেন জেলে সাজা খাটছেন।

অন্যদিকে, হনুমান প্রসাদও ৫টি হত্যা করেছেন। হানুমান প্রাসাদ তার সাবেক প্রেমিকার স্বামী ও সন্তানদের হত্যা করেন। তার প্রেমিকা সন্তোষ আলওয়ারের একজন তায়কোন্ডো খেলোয়াড় ছিলেন। প্রেমিকা সন্তোষের স্বামী বনওয়ারী লালকে পশু জবাইয়ের ছুরি দিয়ে হত্যাকরে। এ সময় ঘুমন্ত তিন সন্তান এবং এক ভাতিজাও জেগে ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শী সরিয়ে দিতে হনুমান চার শিশুসহ মোট পাঁচজনকে নির্মমভাবে সেদিন হত্যা করেন। সূত্র : এনডিটিভি

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়