শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন

প্রকাশিত : ০৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:১৯ দুপুর
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রবাসীদের সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নতুন নিয়ম চালু করল আমিরাত

প্রবাসীদের সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য নতুন আইন প্রণয়ন করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটিতে বসবাসরত কোনো বিদেশি নাগরিক ইচ্ছাপত্র (উইল) রেখে না গেলে এবং বৈধ উত্তরাধিকারীর কোনো দাবি না থাকলে তার সম্পদের কী হবে, তা ঠিক করতে সিভিল ট্রানজ্যাকশনস আইনের আওতায় একটি সুস্পষ্ট বিধান রাখা হয়েছে।

নতুন আইনে বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি নাগরিকের উত্তরাধিকারী না থাকলে তার আর্থিক সম্পদ দাতব্য ওয়াক্‌ফ হিসেবে ঘোষণা করা হবে এবং তা একটি উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। দেশটির মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে জানায়, ‘যেসব বিদেশি নাগরিকের উত্তরাধিকারী নেই, আমিরাতে থাকা তাদের সম্পদ দাতব্য ওয়াক্‌ফ হিসেবে বিবেচিত হবে। এসব সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা ও বণ্টন নিশ্চিত করতে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে থাকবে।’

এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের আইনি অনিশ্চয়তার অবসান ঘটল। এই নিয়ম কেবলমাত্র বৈধ উত্তরাধিকারী ছাড়া বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ হবে। তবে কারও বৈধ ইচ্ছাপত্র থাকলে কী হবে–সে বিষয়ে নতুন আইনে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।

তবে এক আইন বিশেষজ্ঞ গালফ নিউজকে জানিয়েছেন, আইনটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। আপাতত আমিরাতে ইচ্ছাপত্র নিয়ে যে আইন জারি আছে, সেটাই কার্যকর থাকবে। এ বিষয়ে কোনো পরিবর্তনের ঘোষণা দেয়া হয়নি।

এর আগে উত্তরাধিকারীহীন বিদেশিদের মৃত্যুর ঘটনায় তাদের সম্পদ নিয়ে দীর্ঘ আইনি জটিলতা তৈরি হতো। এতে ব্যাংক, বাড়িওয়ালা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হতো।

নতুন এই বিধানের ফলে সে জটিলতা কাটবে। এর ফলে আইনানুগ ও দায়িত্বশীলভাবে সম্পদ ব্যবস্থাপনার পথ খুলে যাবে। একই সঙ্গে এটি বাসিন্দাদের জন্য বৈধ ইচ্ছাপত্র প্রস্তুত করা এবং উত্তরাধিকারীদের আইনগতভাবে নথিভুক্ত করার গুরুত্বও তুলে ধরছে।

সূত্র: গালফ নিউজ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়