শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন

প্রকাশিত : ২৬ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:৩৫ সকাল
আপডেট : ২৬ মে, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পশ্চিম তীরে বাড়ছে ইসরায়েলি দমন-পীড়ন, এক বছরে উচ্ছেদ ৩২ হাজার ফিলিস্তিনি

গাজার মতোই ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে হাজার হাজার ফিলিস্তিনিকে ঘারছাড়া করছে দখলদার ইসরাইলি। শুধুমাত্র এ বছরই পশ্চিম তীরের তিনটি শরণার্থী শিবির থেকে ৩২ হাজার ফিলিস্তিনিকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা হয়েছে।

গত সপ্তাহে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) এর  প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে আসে। এতে আরও বলা হয়, জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া জেনিন, নুর শামস ও তুলকারেম শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি অভিযানের ফলে ১৯৬৭ সালের পর পশ্চিমতীরে এটি সবচেয়ে বড় গণউচ্ছেদ।

ইসরাইলি সহিংসতা পশ্চিম তীরে দ্রুত বেড়েই চলেছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে গাজায় আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত সেখানে ইসরাইলিদের হাতে এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অবৈধ ইসরাইলি বসতি থেকে ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলাও ক্রমশ বেড়েছে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের সি অঞ্চলে নভেম্বরের শুরুর দিকে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ বাড়িঘর ভেঙে দেওয়ায় আরও এক হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমেও পাঁচ শতাধিক মানুষ গৃহহীন হয়েছেন। 

ইসরাইল অনুমতি না থাকার অজুহাতে এসব ঘরবাড়ি ভেঙে দিয়েছে, যদিও এসব এলাকায় ফিলিস্তিনিদের জন্য নির্মাণের অনুমতি পাওয়া অত্যন্ত কঠিন।

এসব ঘটনার পরও অধিকৃত পশ্চিম তীরে নিজেদের কার্যকলাপের জন্য ইসরাইল এখনো উল্লেখযোগ্য কোনো পরিণতির মুখোমুখি হয়নি। মানবাধিকার সংগঠনগুলো ইতোমধ্যে পশ্চিম তীরের শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি বাহিনীর কর্মকাণ্ড এবং সাধারণ মানুষকে জোরপূর্বক উচ্ছেদের ঘটনাগুলোর জন্য ইসরাইলি সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়