শিরোনাম
◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

প্রকাশিত : ১৭ নভেম্বর, ২০২৫, ০২:৩৭ দুপুর
আপডেট : ২৪ মে, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বুলডোজার নিয়ে যাওয়া দলকে ‘রাজাকার’ আখ্যা শাওনের

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আরও দুই আসামির বিরুদ্ধে জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণার দিনে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের এলাকায় আবারও দুটি বুলডোজার নিয়ে উপস্থিতি দেখা দিয়েছে।

সোমবার দুপুরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আবারও দুটি বুলডোজার নেওয়া গেলে ওই সময় ট্রাকের ওপর কয়েকজন তরুণ হাতে মাইক ধরে স্লোগান দিচ্ছিলেন। তারা জানান, ‘রেড জুলাই’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে বুলডোজার নিয়ে আসা হয়েছে।

এই ঘটনার পর অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন তাদের ‘রাজাকার বাহিনী’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি একটি সংবাদ শেয়ার করে লিখেছেন, ‘মনের ভয়ই আসল ভয়। বারবার ভাঙা, আগুন দেওয়ার পরও তোদের ভয় যায়নি। ধানমন্ডি ৩২-এর এই ভাঙা বাড়ির প্রতিটি ধূলিকণা বাংলাদেশের আকাশে মিশে আছে। একে কীভাবে অস্বীকার করবে, রাজাকার বাহিনী!’

এর আগে, গত বছরের ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বাইরে যাওয়ার পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে হামলা চালানো হয় এবং সেখানে লুটপাট ও আগুন ধরানো হয়।

গত বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি ‘বুলডোজার মিছিল’ কর্মসূচির সময় সে বাড়িটি ভাঙা হয়। সেখানে উপস্থিত প্রায় তিন হাজার মানুষ ভিড় করেছিলেন। রাত পৌনে ১১টার দিকে ক্রেন এবং এক্সক্যাভেটর দিয়ে বাড়ি ভাঙার কাজ শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনতলার বাড়ির একটি অংশ ধ্বংস করা হয়। মাঝে বিরতি নেওয়ার পর আরও একটি এক্সক্যাভেটর যোগ দেয়।

মধ্যরাতে সেনাবাহিনী কিছু সময় সেখানে অবস্থান করলেও স্থানীয় জনগণ ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকে এবং পরে তারা চলে যায়। রাতের বেলা সেখানে গান বাজানো ও নাচের দৃশ্যও দেখা যায়। পুরো ভাঙা বাড়িটি নিরাপত্তা সহকারে রেখে দেওয়া হয়েছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়