শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন

প্রকাশিত : ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:৪৫ রাত
আপডেট : ১৩ মে, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চুম্বন দৃশ্যে বাধ্য হয়ে অভিনয়, ওই সিনেমাই আমার জীবন বদলে দিয়েছিল: ফারহা খান

বলিউডের জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার-পরিচালক তথা প্রযোজক ফারাহ খান সংগীতশিল্পী শানের বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানেই কথোপকথনের একপর্যায়ে বলেন— এক অভিনেতার সঙ্গে চুম্বন দৃশ্যে একরকম বাধ্য হয়েই রাজি হতে হয়েছিল তাকে। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে নিজের ব্লগে এ কথা জানিয়েছেন ফারাহ খান।

বিভিন্ন তারকার বাড়িতে গিয়ে আড্ডা দেন এ পরিচালক। এবার গায়ক শানের বাড়িতে গিয়ে আড্ডা দিলেন ফারাহ খান। সেখানে গায়কের সঙ্গে ১৯৯২ সালের সিনেমা ‘যো জিতা ওহি সিকান্দার’ নিয়ে আলোচনা করছিলেন ফারহা। সেই সিনেমায় জুনিয়র নৃত্যশিল্পী হিসেবে ছিলেন ফারহা খান। কিন্তু প্রথমে সহপরিচালক হিসেবে সেই ছবিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।

ফারহা খান বলেন, আমি আসলে সহপরিচালক হিসেবে যোগ দিই। তারপর দেখা যায়, নৃত্যশিল্পীর অভাব রয়েছে। তখন আমি কোরিওগ্রাফিতে সাহায্য করতে শুরু করি। যখনই কোনো নৃত্যশিল্পী অনুপস্থিত থাকতেন, সেই জায়গায় আমাকে ঠেলে দেওয়া হতো।

এভাবেই অভিনেতা দীপক তিজোরির সঙ্গে একটি চুম্বন দৃশ্যে সম্মত হতে বাধ্য হন ফারহা খান। এ কোরিওগ্রাফার বলেন, একটা দৃশ্য ছিল সিনেমায়, যেখানে দীপক তিজোরি আমার গালে চুমু খাবেন। আসলে ওই দৃশ্যে যে মেয়েটির থাকার কথা ছিল, তিনি রাজি হননি। তাই আমাকে করতে হয়েছিল ওই দৃশ্যটি।

এই শুনে হেসে ওঠেন শান। পারিশ্রমিক নিয়েও আলোচনা হয় তাদের মধ্যে। শান বলেন, সেই সিনেমার জন্য প্রতিদিন ১৫০ টাকা করে পেতেন। অন্যরা পেতেন ৭৫ টাকা করে। এই শুনে চমকে ওঠেন ফারহা খান। তিনি বলেন, আরে! তুমি পারিশ্রমিক পেয়েছিলে? আমি তো কোনো পারিশ্রমিকই পাইনি। কিন্তু ওই সিনেমাটা আমাকে যা যা দিয়েছে, তা কোনো চেক দিতে পারত না। ওই সিনেমাটা আমার জীবন বদলে দিয়েছিল। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়