শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ০২ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৩:৪৬ দুপুর
আপডেট : ২৪ মে, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী তুলি: পেশায় ‘গৃহিণী’, সম্পদ ২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও গুমের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সংগঠন 'মায়ের ডাকে'র সমন্বয়কারী সানজিদা ইসলাম তুলি পেশায় গৃহিণী। তাঁর স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় দুই কোটি ৩৪ লাখ টাকা। বার্ষিক আয় পাঁচ লাখ ৮৫ হাজার ৭৫০ টাকা।

মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা নির্বাচনী হলফনামা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। গত সোমবার ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন সানজিদা ইসলাম তুলি।

হলফনামা অনুযায়ী, তুলির শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএসসি টেক্সটাইল। বর্তমান পেশা হিসেবে তিনি গৃহিণী উল্লেখ করলেও তাঁর আগের পেশা ছিল বেসরকারি চাকরি। তাঁর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২৯৫ এ ধারায় একটি মামলা রয়েছে, যা বর্তমানে পিবিআইয়ের তদন্তাধীন।

হলফনামায় দেওয়া তথ্যে দেখা যায়, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় দুই কোটি ৩৪ লাখ টাকা। তাঁর নামে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ও একটি গাড়ি রয়েছে। কোনো কৃষিজমি নেই। সঞ্চয়পত্র থেকে বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে পাঁচ লাখ ৮৫ হাজার ৭৫০ টাকা।

নির্ভরশীল হিসেবে তাঁর স্বামীর বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৮২ লাখ ৯৯ হাজার ৫২০ টাকা। নিজের কাছে নগদ রয়েছে ৮৩ লাখ ৩১ হাজার ৬৬২ টাকা। স্বামীর কাছে নগদ আছে এক কোটি ৫৭ লাখ ৬৯ হাজার ৬৪১ টাকা। ব্যাংকে জমা রয়েছে ২০ লাখ ৫৪৭ টাকা।

এ ছাড়া উপহার হিসেবে পাওয়া তুলির নিজের ১০ ভরি ও স্বামীর ১০ ভরি স্বর্ণের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। সর্বশেষ অর্থবছরে তিনি আয়কর দিয়েছেন ৮৮ হাজার ৫৭৫ টাকা। আয়কর রিটার্নে দেখানো সম্পদের পরিমাণ দুই কোটি ১৩ লাখ ৮৫ হাজার ৭৫০ টাকা। তাঁর কোনো দায় বা ব্যাংক ঋণ নেই।

এদিকে, ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামী থেকে প্রার্থী হয়েছেন মীর আহমাদ বিন কাসেম। হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা বার অ্যাট ল এবং পেশায় তিনি একজন আইনজীবী। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই। আইন পেশা থেকে তাঁর বার্ষিক আয় আনুমানিক ১১ লাখ টাকা।

স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে মীর আহমাদ বিন কাসেমের মোট সম্পদের পরিমাণ এক কোটি ৮৯ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮৫ টাকা ৫৪ পয়সা। তাঁর কোনো বাড়ি বা কৃষি ও অকৃষি জমি নেই। তবে একটি গাড়ি রয়েছে।

হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁর নিজের ২০ ভরি ও স্ত্রীর ৩০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে। তাঁর হাতে নগদ রয়েছে এক কোটি ১৩ লাখ ৭৬ হাজার ৬৫৪ টাকা এবং স্ত্রীর হাতে নগদ ১৪ লাখ টাকা। তিনটি ব্যাংকে তাঁর জমা রয়েছে ১৯ লাখ ৯৩ হাজার ১৬৬ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ব্যাংকে জমা আছে এক লাখ ২০ হাজার ৮৫৬ টাকা।

সঞ্চয়পত্র বা ফিক্সড ডিপোজিটে তাঁর জমা রয়েছে সাত লাখ ১৪ হাজার ৬৪ টাকা। একই খাতে স্ত্রীর জমা রয়েছে ২৬ লাখ ১০ হাজার টাকার বেশি। তাঁরও কোনো দায় বা ব্যাংক ঋণ নেই। উৎস: বিডি প্রতিদিন

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়