শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ১২ অক্টোবর, ২০২৫, ০৫:৪৪ বিকাল
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অবকাঠামোগত উন্নয়ন হচ্ছে ৫৩৪ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের, ব্যয় হবে ২৬১৭ কোটি টাকা

বাসস।। সারাদেশের ৫৩৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।  এর মধ্যে রয়েছে ৬৪টি জেলায় বিদ্যমান ৪৮৮টি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১০টি সিটি করপোরেশন এলাকায় নির্বাচিত ৪৬টি বিদ্যালয়।

‘বিদ্যমান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১০টি সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিল, এনডিসি স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে  সম্প্রতি  এ তথ্য জানানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সিটি করপোরেশন এলাকার ৪৬টি বিদ্যালয়ের তালিকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কর্তৃক প্রত্যয়নসহ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।

চিঠিতে  আরও বলা হয়েছে, জেলার ৪৮৮টি বিদ্যমান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তথ্য আইপিইএমআইএস সিস্টেম থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। ১০টি সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত বিদ্যালয়ের তালিকা পূর্বে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের কাছ থেকে সংগৃহীত হয়।

প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (পিইসি) সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রত্যয়নপত্রে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিদ্যালয়গুলোর শ্রেণিকক্ষ, স্যানিটেশন, বিশুদ্ধ পানি, প্রশাসনিক ভবন ও খেলার মাঠের অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে। 

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশের প্রাথমিক শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত হবে এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদানে আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়