শিরোনাম
◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

প্রকাশিত : ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৬ দুপুর
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তেল ছাড়াই রতনের উদ্ভাবিত বাইক, ৫ টাকায় ১২০ কিমি!

বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা। দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের জন্য মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ লাইন আর সীমাহীন ভোগান্তি এখন নিত্যদিনের চিত্র। যখন এক লিটার তেলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে, তখন ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলের মেকানিক রতন মহন্ত দেখাচ্ছেন ভিন্ন এক আশার আলো। কোনো পেট্রোল বা মবিল ছাড়াই মাত্র ৫-৬ টাকার বিদ্যুৎ খরচে তার মোটরসাইকেল ছুটছে ১২০ কিলোমিটার।

রাণীশংকৈল উপজেলা শহরের মহলবাড়ী এলাকার সুরেন মহন্তের ছেলে রতন মহন্ত। পেশায় অটোভ্যান মেকানিক রতন আগে ছিলেন সাইকেলমিস্ত্রি। বর্তমানে পৌর এলাকার কলেজ রোডে তার একটি যন্ত্রাংশের দোকান রয়েছে।

২০১৯ সালে শখ করে একটি পুরাতন ১০০ সিসির সুজুকি মোটরসাইকেল কেনেন তিনি। কিন্তু কেনার পর থেকেই শুরু হয় বিপত্তি। যান্ত্রিক ত্রুটি আর তেলের উচ্চমূল্যে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়। স্থানীয় মেকানিকরা বারবার চেষ্টা করেও বাইকটি পুরোপুরি সচল করতে পারছিলেন না। তেলের খরচ আর মেরামতের বিরক্তি থেকে মুক্তি পেতে রতন এক ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নেন। তিনি ঠিক করেন-বাইকের ইঞ্জিনই ফেলে দেবেন, সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ শুরু করেন রতন। বাইকের ইঞ্জিন সরিয়ে সেখানে স্থাপন করেন ১২ ভোল্টের ৪টি ব্যাটারি এবং একটি অটোরিকশার শক্তিশালী মোটর। ব্যাটারির সঙ্গে মোটরের সংযোগ ঘটিয়ে তিনি বাইকটিকে রূপান্তরিত করেন বৈদ্যুতিক যানে।

রতন মহন্ত বলেন, চার বছর আগে শুরুতে যখন ব্যাটারি লাগিয়ে বাইক চালানো শুরু করি, তখন অনেকেই হাসাহাসি করেছে। ঠাট্টা-তামাশা করে বলেছে, এটা নাকি খেলনা! কিন্তু আমি দমে যাইনি। এখন তেলের অভাবে যখন মানুষ পাম্পে লাইন দিচ্ছে, তখন তারাই আমাকে বাহবা দিচ্ছে।

রতনের বলেন, যেখানে ১২০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে তেলচালিত বাইকে প্রায় ৪০০ টাকা খরচ হয়, সেখানে আমার খরচ হয় মাত্র ৫ থেকে ৬ টাকার বিদ্যুৎ। পাম্পে গিয়ে তেল কেনার ভোগান্তি নেই, নেই মবিল পরিবর্তনের বাড়তি ঝামেলা। দিব্যি ঘুরে বেড়াই আমি।

রতনের প্রতিবেশীরা জানান, রতনের এই বাইক বর্তমান সংকটকালীন এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তেল কিনতে আমাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা যুদ্ধ করতে হয়। অথচ রতন অনায়াসে চলাফেরা করছেন। খরচও নামমাত্র। সূত্র: এশিয়া পোস্ট 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়