শিরোনাম
◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস

প্রকাশিত : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:২১ বিকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল সোনার দাম

বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। মাত্র একদিনের ব্যবধানে মূল্যবান এই ধাতুর দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্পট গোল্ডের দাম ৫ হাজার ১৮৭ মার্কিন ডলারের আশেপাশে অবস্থান করছে। গতকাল বুধবার এই দাম ছিল ৫ হাজার ১৬৫ ডলার। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রায় ২২ ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে।

চলতি বছরের শুরু থেকেই সোনার বাজার নজিরবিহীন অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গত জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে সোনা তার ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেকর্ড স্পর্শ করেছিল, যখন প্রতি আউন্স সোনালী ধাতুর দাম উঠেছিল ৫ হাজার ৫৯৪ ডলারে। যদিও বর্তমান দাম সেই সর্বোচ্চ শিখর থেকে কিছুটা নিচে অবস্থান করছে, তবে গত বছরের তুলনায় এই মূল্য প্রায় ৬৪ শতাংশ বেশি।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র দুই মাসেই সোনার দাম প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সোনার দাম এভাবে লাফিয়ে বাড়ার পেছনে মূলত তিনটি প্রধান কারণ কাজ করছে। 

প্রথমত, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা। বিশেষ করে ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং ওই অঞ্চলে যুদ্ধের আশঙ্কার কারণে নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে সোনার ওপর মানুষের নির্ভরশীলতা বহুগুণ বেড়ে গেছে। 

দ্বিতীয় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর শুল্ক নীতিকে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্বের সকল দেশের ওপর নতুন করে ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার ঘোষণা দেওয়ায় বিশ্ব বাণিজ্যে চরম অস্থিরতা শুরু হয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা মার্কিন ডলারের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে সোনা মজুদের দিকে ঝুঁকছেন।

তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ কারণটি হলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সোনা কেনার হিড়িক। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে অনেক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের রিজার্ভের জন্য ডলারের বদলে সোনা সংগ্রহ করাকে বেশি নিরাপদ মনে করছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দামি এই ধাতুর বাজার দরে বড় প্রভাব পড়ছে। 

ভবিষ্যতের পূর্বাভাসও খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। বিখ্যাত বৈশ্বিক বিশ্লেষক সংস্থা ইউবিএস (UBS) এবং গোল্ডম্যান স্যাকসের দেওয়া সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, সোনার এই জয়যাত্রা এখানেই থেমে থাকছে না। সংস্থা দুটির পূর্বাভাস বলছে, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ সোনার দাম আউন্স প্রতি ৫ হাজার ৪০০ ডলার থেকে শুরু করে ৬ হাজার ৩০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। 

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়