শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ০৪ মে, ২০২৬, ০৭:৩১ বিকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সালথায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন

‎‎হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি : ফরিদপুরের সালথায় কাগদী মুরুটিয়া আলহাজ্ব মো. আব্দুল মজিদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মামুন শরিফের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ক্লাস বর্জন করেছে শিক্ষার্থীরা। 

সোমবার (০৪ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে স্কুল মাঠ প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করে। এতে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. দবির উদ্দীন ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন এবং শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে দেন।

বিক্ষোভকালে শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে স্লোগান দেয়। এ সময় পুরো স্কুল এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে জানান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়ম করে আসছেন এবং তাদের ন্যায্য দাবিগুলো উপেক্ষা করছেন। তারা অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে ক্লাস বর্জন কর্মসূচি পালন করে।

তবে স্থানীয়রা জানান, শিক্ষকদের মধ্যে বিরোধের জেরে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করছেন একপক্ষ। তাছাড়া তেমন কোনো অনিয়ম দেখা যায় না।

কাগদী মুরুটিয়া আলহাজ্ব মো. আব্দুল মজিদ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মামুন শরিফ বলেন, অনিয়মের অভিযোগের বিষয়টি সম্পন্ন ভুয়া ও ভিত্তিহীন। আমার সাথে শিক্ষার্থীদের একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। ইউএন স্যারের উদ্যোগে ঘটনাটি মিমাংসা হয়েছে।

সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. দবির উদ্দীন বলেন, প্রতিষ্ঠানের হিসাব-নিকাশে কিছু অস্পষ্টতা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী স্থানীয়দের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছিল। আমরা বিষয়গুলো পর্যালোচনা করেছি। প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে হিসাব গ্রহণ করে তা যাচাই করা হবে। আশা করি দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়