শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ০৩ মে, ২০২৬, ০৬:৪৪ বিকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডোমারে পানি’র স্রোতে বাঁধ; ডুবে গেছে শতাধিক একর বোরো ধান

রতন কুমার রায়, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমারে উজানের পানি ঢালু পথে প্রবাহের পথ রাস্তা নির্মাণ করায় শতাধিক একর জমির বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। গত কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিপাত ও পানি প্রবাহের পথ বন্ধ করে দেওয়ায় মাথায় হাত পড়েছে উল্লেখিত এলাকার কৃষকদের। বোরো ধান ঘরে তুলতে না পারার হতাশায় দিন কাটছে তাদের।

গত শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, পূর্বে যে পথ দিয়ে পানির স্রোত বয়ে যেতো। সেই নালাটি মাটি ভরাট করে রাস্তা করেছে বুলু ইসলাম নামে স্থানীয় প্রভাবশালী এক ব্যক্তি। দীর্ঘ দিন ধরে পানি বের হয়ে যাওয়া নালাটি মাটি ভরাট করে বন্ধ করার ফলে উজানের প্রায় জমির বোরো ধান ডুবো ডুবো ভাব হয়ে আছে। নালাটিতে অনেক কৃষকের ব্যক্তিগত জমি রয়েছে। উজানের সকল কৃষকের কথা চিন্তা করে নালার মুখ কেউ বন্ধ না করলেও বুলু ইসলাম প্রভাব খাটিয়ে পানি প্রবাহের মুখটি বন্ধ করে দেন। যেখানে মাটি ফেলে নালাটির মুখটি বন্ধ করেন সেই জমিটুকুও বুলুর মালিকানায় নেই। জমিটি ওই এলাকার মসজিদের। প্রভাব খাটিয়ে মসজিদের জমির উপর মাটি ফেলে পানি যাওয়ার পথ বন্ধ করে দেন তিনি। বুলি ফিলিং স্টেশন ও বুলি অটো রাইস মিল দেওয়ার নাম করে ৪০ বছর পূর্ব হতে যে পথ দিয়ে হাজার হাজার একর জমির পানি নিষ্কাশন হয়েছিলো তা বন্ধ করে দেন বুলু ইসলাম ।বুলু ইসলাম উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের বাকডোকরা এলাকার বাসিন্দা।

 স্থানীয় কৃষক হামিদুল ও মজিদুল ইসলাম জানান , মির্জাগঞ্জ, কলেজ মোড়, জোড়াদিঘী,বেতগাড়া, গাইবান্ধাপাড়া, বসুনিয়াপাড়া,মিস্ত্রিপাড়ার শতশত একর ফসলি জমির পানি নিষ্কাশনের  একমাত্র রাস্তা ছিলো ওই নালাটি। যদিও পানি নিষ্কাশনের পথটি ব্যক্তিগত মালিকানা জমির উপরেই। জমির মালিকরাই এই নালাটি পানি নিষ্কাশনের জন্য ব্যক্তিগত ভাবে খনন করেন।সেই পানি প্রবাহের পথ বন্ধ করে দেওয়ায় এখন অনেক জমির ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। যদি পানি বের করার পথ করা না হয় তাহলে বোরো ধান ঘরে তুলতে পারবে না। বুলু ইসলাম কয়েক বছর আগে ঢাকায় রিক্সা চালাতেন। এখন সে কোটি কোটি টাকার মালিক। তার অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে মামলা, হামলা, হত্যা করার মতো হুমকি প্রদান করেন। ভয়ে তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলে না।

এ বিষয়ে বুলু ইসলাম বলেন, আমি আমার জায়গায় রাস্তা করেছি। সরকার আসলেও আমি রাস্তা কেটে পানি যাইতে দিবো না। আমার নামে কয়টা মামলা হবে পরে দেখা যাবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, কোন রাস্তা ও বাধের কারনে পানি জমাট হয়ে কৃষি জমি বা ফসলের ক্ষতি হয় এমন রাস্তা বা বাধ নিজের জমি হলেও করতে পারবে না। আমি বাগডোকরার বিষয়টি ইউএনও মহোদয়কে অবগত করেছি। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি, সেখাসে ইউনিয়ন তহসিলদারকে পাঠানো হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের রাস্তা বন্ধ করে ফসলের ক্ষতি হলে অব্যশই দ্রুত পানি বের করার ব্যবস্থা করা হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়