শিরোনাম
◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা  ◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ◈ ভালো ব্যাংকও রক্ষা পায়নি, ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৪৪টির অবস্থার অবনতি, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পাহাড়

প্রকাশিত : ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:২৮ সকাল
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বরিশালের দুই শিক্ষার্থীর তৈরি স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ‘থান্ডার বোল্ট’

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় দুই শিক্ষার্থী তৈরি করেছেন স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র (মিসাইল)। আকারে ছোট হলেও এটি ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার গতিতে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম বলে দাবি করেছেন তারা। এই উদ্ভাবনের পেছনে রয়েছেন প্রীতম পাল ও তার মামা সুজন চন্দ্র পাল। এক বছরের গবেষণার ফল হিসাবে তারা তৈরি করেছেন এই ক্ষেপণাস্ত্র, যার নাম দিয়েছেন ‘থান্ডার বোল্ট’। প্রীতম পড়ছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগে এবং সুজন পাল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।

প্রীতম জানান, তাদের প্রযুক্তিগত যাত্রা শুরু ২০২০ সালে। প্রথমদিকে তারা একটি রোবোটিক আর্ম তৈরি করেন, যা হাতহীন মানুষের সহায়তার জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্পে কাজ করার আগ্রহ তৈরি হয় তাদের। পরবর্তীতে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সংঘাত ও যুদ্ধ দেখে দেশের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার চিন্তা মাথায় আসে। সেই ভাবনা থেকেই তারা ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। নিজেদের সঞ্চয় এবং পরিবারের সহায়তায় ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে তারা দুটি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছেন। বর্তমানে তাদের উদ্ভাবিত এই মারণাস্ত্র ৫ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম বলে দাবি করেছেন তারা। তবে এই উদ্ভাবনকে আরও এগিয়ে নিতে সরকারি সহায়তা প্রয়োজন বলে মনে করছেন এই দুই শিক্ষার্থী। তাদের আশা, যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দেশের তরুণরা প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে আরও বড় অবদান রাখতে পারবে।

সুজন পাল বলেন, ‘আমাদের নিজের কিছু না থাকায় অনেক সময় মানুষ বিষয়টিকে হালকাভাবে নেয়। কিন্তু আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি, কিছু একটা করে দেখানোর।’

তাদের বিশ্বাস, সুযোগ ও সহায়তা পেলে এদেশের শিক্ষার্থীরাও উন্নত বিশ্বের মতো দূরপাল্লার আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সক্ষম হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়