শিরোনাম
◈ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত ◈ এবার লেবাননে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর বার্তা ট্রাম্পের ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের বেড়া নির্মাণে মেঘালয়ের আপত্তি, গ্রামবাসীর প্রতিবাদ ◈ পুরোপুরি সুস্থ নন ইলিয়াস কাঞ্চন: কথা বলছেন, তবে জড়তা কাটেনি, স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন তথ্য ◈ এমপিদের সরাসরি তহবিল বরাদ্দ বাতিল, প্রকল্প অনুমোদন দেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ◈ পুলিশের দ্রুততম তদন্ত, আদালতের ছুটি বাতিল এই দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে ◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ পরিচালক‌দের ‌ভো‌টে তা‌মিম ইকবাল বিসিবির সভাপতি  ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো 

প্রকাশিত : ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:৩৭ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জীবননগরে ২৫ বছরেও ‘ভূতুড়ে’ বিসিআইসি সার ডিলার বহাল

জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা): চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর ধরে কাগজে-কলমে থাকা ‘ভূতুড়ে’ বিসিআইসি সার ডিলারদের বহাল রেখে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত দরখাস্ত দিয়েছেন স্থানীয় একাধিক ব্যবসায়ী।

 কৃষক লাভলু মিয়া জানান, জীবননগরে তালিকাভুক্ত কয়েকজন বিসিআইসি সার ডিলারের বাস্তব কোনো অস্তিত্ব নেই। মাঠ পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে আমরা তাদের কোনো কার্যক্রম দেখতে পাননি। তবুও দীর্ঘদিন ধরে তারা ডিলার হিসেবে বহাল রয়েছেন।

সার ব্যবসায়ী আবু সাঈদ বাবুল বলেন,  আমি ২০১৭ সালে প্রায় তিন লাখ টাকা এবং পরবর্তীতে আরও পাঁচ হাজার টাকা জমা দিয়ে বিসিআইসি সার ডিলার নিয়োগের জন্য আবেদন করেছি। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও আমি কোনো নিয়োগ পাননি।

তিনি অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালের নীতিমালা অনুযায়ী জেলার বাইরে কোনো ব্যক্তিকে ডিলার নিয়োগের সুযোগ নেই। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, তালিকাভুক্ত কয়েকজন ডিলার ওই এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা নন এবং তাদের কোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রমও নেই। এমনকি ২৪ বছরেও তারা লাইসেন্স নবায়ন করেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।

তিনি আরও জানা যায়, ২০২৪ সালে রাষ্ট্রপতির এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নতুন করে কিছু ডিলারকে তালিকাভুক্ত করা হয়, যেখানে পূর্বের বিতর্কিত ডিলারদেরই পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট পিটিশনও দায়ের করা হয়েছে।

আবেদনকারী দাবি করেন, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র উদঘাটন করে অকার্যকর ও ভুয়া ডিলারদের তালিকা বাতিল এবং যোগ্য ও সক্রিয় ব্যবসায়ীদের ডিলারশিপ প্রদান করা হোক। একই সঙ্গে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে কোনো ডিলার নিয়োগ বা বরাদ্দ না দেওয়ারও অনুরোধ জানান তিনি।

এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের  মুঠোফোনে যোগাযোগ  করা হলে কল রিসিভ না করায় তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় বেশ কয়েকজন কৃষকরা জানান, প্রকৃত ডিলার না থাকায় অনেক সময় সার সংকট তৈরি হয় এবং তারা হয়রানির শিকার হন। দ্রুত বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান চান তারা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়