শিরোনাম
◈ মালদ্বীপের সঙ্গে ড্র করে ফাইনালের স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের ◈ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত ◈ এবার লেবাননে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর বার্তা ট্রাম্পের ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের বেড়া নির্মাণে মেঘালয়ের আপত্তি, গ্রামবাসীর প্রতিবাদ ◈ পুরোপুরি সুস্থ নন ইলিয়াস কাঞ্চন: কথা বলছেন, তবে জড়তা কাটেনি, স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন তথ্য ◈ এমপিদের সরাসরি তহবিল বরাদ্দ বাতিল, প্রকল্প অনুমোদন দেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ◈ পুলিশের দ্রুততম তদন্ত, আদালতের ছুটি বাতিল এই দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে ◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ পরিচালক‌দের ‌ভো‌টে তা‌মিম ইকবাল বিসিবির সভাপতি  ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৪ অক্টোবর, ২০২৫, ০৬:৫৭ বিকাল
আপডেট : ২৮ মে, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীতে মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের অভিযান

চরভদ্রাসন ও সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান চলাকালে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ নিধনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ।

গত দুই দিনের অভিযানে ৬৫ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল (জাটকা ধরার জাল) এবং ২৭ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা জালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৮ লাখ টাকা।

২৪ অক্টোবর পদ্মা নদীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও মৎস্য বিভাগ যৌথভাবে নেতৃত্ব দেন।

চরাঞ্চলে চলছে মা ইলিশের অবাধ বেচাকেনা

সরকার ঘোষিত ২২ দিনের মা ইলিশ সংরক্ষণ নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকা সত্ত্বেও পদ্মা নদীর চরাঞ্চলে অবাধে চলছে জাটকা ও মা ইলিশের কেনাবেচা। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে চরের অস্থায়ী বাজার ও বিভিন্ন খেয়াঘাটে প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ মা ইলিশ বিক্রি হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চর হরিরামপুর ইউনিয়নের হাজার বিঘা চর এলাকায় বাদশার খেয়াঘাটে সকাল ও সন্ধ্যায় প্রকাশ্যে ইলিশ কেনাবেচা হয়।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, “আমরা প্রতিদিনই এলাকায় তদারকি করছি। জাল ও জেলে আটকও করেছি। তবে চর এলাকায় যেতে হলে পুলিশসহ অভিযান চালাতে হয়। আমরা পৌঁছানোর আগেই খবর পেয়ে জেলেরা পালিয়ে যায়। বাদশার খেয়াঘাটে প্রতিদিনই অন্তত দু’বার যাই।”

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের দুর্বল নজরদারির কারণে নিষেধাজ্ঞার সময়ও চরের অস্থায়ী বাজার ও খেয়াঘাটে অবাধে চলছে মা ইলিশের ক্রয়-বিক্রয় ও পাচার, যা সরকারের সংরক্ষণ কার্যক্রমকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, “ইলিশের প্রজনন মৌসুমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরা অত্যন্ত দুঃখজনক ও গুরুতর অপরাধ। এতে ইলিশের উৎপাদন মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়