শিরোনাম
◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে?

প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০২:৩৭ দুপুর
আপডেট : ১৯ মে, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শেরপুরে ভুয়া নাম-পরিচয় ব্যবহার করে জাতীয় পরিচয়পত্র করতে এসে রোহিঙ্গা যুবক আটক 

তপু সরকার হারুন, জেলা প্রতিনিধি শেরপুরঃ শেরপুর জেলা নির্বাচন অফিসে ভুয়া নাম-পরিচয় ব্যবহার করে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) করতে এসে ধরা পড়েছেন এক রোহিঙ্গা যুবক। ১৫ সেপ্টেম্বর সোমবার  তাকে আটকের পর পুলিশে সোপর্দ করা হয়। রোহিঙ্গা ওই যুবকের নাম মো. আমিন। সে কক্সবাজারের উখিয়ার টাংহালি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা বলে জানাযায় ।

পুলিশ ও জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে ওই রোহিঙ্গা যুবক নিজের নাম আলম মিয়া উল্লেখ করে এনআইডির জন্য আবেদন করতে শেরপুর জেলা নির্বাচন অফিসে আসেন। তিনি বাবার নাম হিসেবে আলী এবং শেরপুর পৌরসভার কসবা মোল্লাপাড়া ও শিবুত্তর এলাকাকে নিজের ভোটার এলাকা হিসেবে দাবি করেন। তবে তার কথাবার্তা ও নথিপত্র যাচাইয়ের সময় নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তাদের সন্দেহ হলে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজেকে রোহিঙ্গা বলে স্বীকার করেন ওই যুবক। পরে জানা যায়, তার আসল নাম মো. আমিন। তিনি কক্সবাজারের উখিয়ার টাংহালি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা এবং মূলত মিয়ানমারের নাগরিক। তার পিতার নাম জাহিদ হোসেন ও মাতার নাম গুলবাহার।

আটক রোহিঙ্গা যুবক মো. আমিন বলেন, আমি কক্সবাজারের উখিয়ার টাংহালি ক্যাম্পে থাকি। এ দেশের নাগরিক হওয়ার আশায় ভোটার আইডি কার্ড করতে শেরপুরে এসেছিলাম। কাজের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র পেলে সুবিধা হবে ভেবেই আলম নামে আবেদন করেছিলাম।

এ বিষয়ে শেরপুরের অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ওই যুবকের কাগজপত্র ও সন্দেহজনক আচরণ দেখে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করি। পরে তিনি নিজেই তার রোহিঙ্গা পরিচয় স্বীকার করেন। পরে তাকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জুবায়দুল আলম বলেন, রোহিঙ্গা যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার সাথে আরও কারা জড়িত আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একইসাথে এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়