শিরোনাম
◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক ◈ হাদি হত্যা মামলায় জাবেরকে বাদী করার কারণ জানতে চান বোন মাসুমা ◈ বাজেট অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে  ◈ গ‌্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের হুম‌কি‌তে আ‌মি প্রস্রাব ক‌রে দেই, আইপিএলের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন ললিত মো‌দি ◈ আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, আচরণবিধিতে আসছে বড় পরিবর্তন

প্রকাশিত : ২২ অক্টোবর, ২০২৫, ০১:৪৩ রাত
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিদেশ থেকে আনা অস্ত্র-বুলেট কোথায় গেল? প্রশ্ন বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর (ভিডিও)

বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে (ফ্লাইট ক্যাটারিং) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত এক ব্যবসায়ী বিদেশ থেকে আনা অস্ত্র ও বুলেটের হদিস নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন। এ ঘটনায় তিনি সিভিল এভিয়েশন ও ফায়ার সার্ভিসের 'খামখেয়ালীপনা'কে দায়ী করে বিপুল আর্থিক ক্ষতির কথা জানিয়েছেন। সূত্র: এটিএন নিউজ

মূল অভিযোগ ও ক্ষয়ক্ষতি:
অস্ত্র ও বুলেটের হদিস: ক্ষতিগ্রস্ত ঐ ব্যবসায়ীর এক আমদানিকারক বন্ধুর ২০০ পিস্তল এবং ১০০০ বুলেট আগুনে পুড়ে গেছে বলে উল্লেখ করেন। তবে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, বুলেট বা অস্ত্রের ধাতব অংশ (লোহা লক্কর) সম্পূর্ণ পুড়ে শেষ হওয়ার কথা নয়, যা মেরামত করা যেত। কিন্তু সেই জিনিসগুলো এলাকা থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে প্রশ্ন: তিনি অভিযোগ করেন, ক্ষতিগ্রস্থ মালামালের মালিকদের না দেখিয়েই তড়িঘড়ি করে এলাকা পরিষ্কার করে ফেলা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, "সন্তান জন্ম দিলেন আপনি, সন্তান মৃত হইছে আপনাকে তো এক নজর দেখাবে সে। না দেইয়া এরা পরিষ্কার পোলাটা পরিষ্কার করে লাইছে, এই জিনিসগুলা কোথায় নিয়ে গেল?"।

আর্থিক ক্ষতি: তার ৮ থেকে ১০ জন আমদানিকারকের মোট প্রায় ৫০ কোটি টাকার মাল আগুনে পুড়ে গেছে বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, পুড়ে যাওয়া এই মালামালের জন্য তারা কয়েকদিন আগেই বিপুল অঙ্কের ট্যাক্স (যেমন: ৩০ লাখ, ৩৮ লাখ টাকা) পরিশোধ করেছিলেন।

প্রশাসনিক জটিলতা: তিনি অভিযোগ করেন যে, ক্ষতিগ্রস্থ মালামাল দ্রুত ছাড় করিয়ে নেওয়ার জন্য তারা আসলেও কর্তৃপক্ষ সেই পরিবেশ তৈরি করেননি। মাল পরীক্ষার (এক্সামিন) জন্য যেখানে চার-ছয়জন লোক প্রয়োজন, সেখানে মাত্র দুইজন লোক দেওয়া হয়েছে এবং কাস্টমসের মতো দপ্তরগুলি অনেক দূরে সরিয়ে নেওয়ায় কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়