শিরোনাম
◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই ◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ ◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক

প্রকাশিত : ০৭ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:৪৪ সকাল
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এআই সংগীত প্ল্যাটফর্ম ‘সুনো’ নিয়ে কপিরাইট বিতর্ক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সংগীত তৈরির প্ল্যাটফর্ম সুনো–কে ঘিরে কপিরাইট লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সামান্য কারসাজিতেই জনপ্রিয় গানের প্রায় হুবহু অনুকরণ তৈরি করা যাচ্ছে। যা শিল্পীদের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

নীতিগতভাবে সুনো দাবি করে, তারা কপিরাইটযুক্ত গান বা গীত ব্যবহার করতে দেয় না। ব্যবহারকারীরা নিজেদের লেখা লিরিক্স বা অডিও আপলোড করে নতুন গান তৈরি করতে পারেন। তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, খুব সাধারণ কিছু পরিবর্তন করলেই জনপ্রিয় গানের অনুকরণ তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অডিও সম্পাদনার সফটওয়্যার ব্যবহার করে গানের গতি সামান্য কমানো বা বাড়ানো, কিংবা শুরুতে কিছু ‘নয়েজ’ যোগ করলেই সিস্টেমের নজর এড়িয়ে যাওয়া যায়। এরপর সেই গানকে ভিত্তি করে তৈরি হচ্ছে নতুন এআই সংগীত। যা মূল গানের সঙ্গে আশ্চর্যজনকভাবে মিল রাখে।

শুধু সুর নয়, গীতিকবিতার ক্ষেত্রেও একই সমস্যা দেখা যাচ্ছে। সামান্য বানান পরিবর্তন করলেই কপিরাইট সুরক্ষা ভেঙে ফেলা যাচ্ছে। ফলে এআই তৈরি কণ্ঠে মূল শিল্পীদের মতোই শোনায় এমন গান তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের প্রযুক্তি অপব্যবহার করে কেউ সহজেই এসব গান স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে আপলোড করে আয় করতে পারে। এতে মূল শিল্পীরা রয়্যালটি থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ছেন।

ইতিমধ্যে কিছু স্বাধীন শিল্পী অভিযোগ করেছেন, তাদের গান এআই দিয়ে নকল করে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে নকল গান শিল্পীর নিজস্ব প্রোফাইলেই যুক্ত হয়ে গেছে। যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

সংগীত স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম স্পটিফাই জানিয়েছে, তারা শিল্পীদের অধিকার রক্ষায় বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। সন্দেহজনক বা অননুমোদিত কনটেন্ট শনাক্তে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা ও মানবিক পর্যালোচনা চালু রয়েছে। তবে দ্রুত বাড়তে থাকা এআই–নির্ভর কনটেন্টের ঢল সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সুনো একা নয়; পুরো এআই সংগীত ইকোসিস্টেমেই নিয়ন্ত্রণ ঘাটতি রয়েছে। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে কপিরাইট সুরক্ষার নতুন কাঠামো না আনলে ভবিষ্যতে এ সমস্যা আরও প্রকট হতে পারে।

এ বিষয়ে সুনোর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়