শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:৩৬ রাত
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পৃথিবী সদৃশ নতুন গ্রহের সন্ধান পেল নাসা

মহাবিশ্বে কি আমরা সত্যিই একা? এই চিরন্তন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা সম্প্রতি এক ভিনগ্রহের সন্ধান পেয়েছে। গ্রহটির সঙ্গে গঠনগত দিক থেকে আমাদের পৃথিবীর অনেক মিল রয়েছে। পৃথিবী থেকে ১৪৬ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এই গ্রহ প্রাণের অস্তিত্ব ধারণের উপযোগী হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নাসার বিজ্ঞানীদের মতে, ‘এইচডি ১৩৭০১০ বি’ নামের গ্রহটি তার নক্ষত্রের বাসযোগ্য অঞ্চলের একেবারে শেষ প্রান্তে অবস্থিত। সেখানে তরল পানির অস্তিত্ব থাকা ও জীবন ধারণের জন্য উপযুক্ত বায়ুমণ্ডল থাকার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

নাসার তথ্যমতে, গ্রহটির মূল নক্ষত্র এইচডি ১৩৭০১০ আমাদের সূর্যের মতো হলেও এটি সূর্যের তুলনায় অনেক বেশি শীতল ও অনুজ্জ্বল। ফলে গ্রহটির পৃষ্ঠের তাপমাত্রা হতে পারে মাইনাস ৬৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আমাদের প্রতিবেশী মঙ্গল গ্রহের গড় তাপমাত্রা মাইনাস ৮৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট। আর তাই নতুন গ্রহটিতে যদি কোনো ভিনগ্রহবাসী বা এলিয়েন থেকে থাকে, তবে তাদের অবশ্যই প্রচণ্ড শীত সহ্য করার ক্ষমতা থাকতে হবে।

নাসার বিখ্যাত কেপলার স্পেস টেলিস্কোপের কে২ মিশন থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এই পাথুরে গ্রহটি শনাক্ত করা হয়েছে। গ্রহটি যখন তার নক্ষত্রের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল, তখন নক্ষত্রের আলোর সামান্য পরিবর্তন দেখেই এর অস্তিত্ব নিশ্চিত করেন বিজ্ঞানীরা। যদিও মাত্র একটি ট্রানজিট পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে, কিন্তু তা থেকেই বিজ্ঞানীরা এর কক্ষপথের সময়কাল বা অরবিটাল পিরিয়ড অনুমান করতে পেরেছেন।

নাসার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, গ্রহটিতে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা আমাদের বায়ুমণ্ডলের চেয়ে বেশি হলেও সেখানে নাতিশীতোষ্ণ বা জলজ পরিবেশ থাকা অসম্ভব নয়। পৃথিবী ৩৬৫ দিনে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করলেও গ্রহটি মাত্র ১০ থেকে ১৩ ঘণ্টায় সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে। ভবিষ্যতে ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার কিওপস টেলিস্কোপের মাধ্যমে গ্রহটির বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

সূত্র: ডেইলি মেইল

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়