শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:৩০ রাত
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চ্যাটজিপিটিকে ‘থেরাপিস্ট’ হিসেবে ব্যবহার করার ৪টি বড় ঝুঁকি: সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা

চ্যাটজিপিটি বা এআই চ্যাটবটগুলোর জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই এগুলোকে নিজেদের মানসিক প্রশান্তির হাতিয়ার বা 'থেরাপিস্ট' হিসেবে ব্যবহার করছেন। কিন্তু সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কিছু মর্মান্তিক ঘটনা নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে বিশেষজ্ঞদের। একজন তরুণের আত্মহত্যার পর জানা গেছে, সে মৃত্যুর আগে চ্যাটজিপিটির সঙ্গে তার বিষণ্নতা নিয়ে কথা বলেছিল। যদিও এআই সরাসরি তাকে উৎসাহিত করেনি, তবে একজন পেশাদার থেরাপিস্টের মতো জীবন রক্ষায় কোনো কার্যকর পদক্ষেপও নেয়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, থেরাপি হিসেবে এআই ব্যবহার করার ঝুঁকি অনেক। কেন চ্যাটজিপিটির মতো চ্যাটবটগুলোকে থেরাপিস্ট হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত নয়, তার ৪টি প্রধান কারণ নিচে তুলে ধরা হলো-

১. ক্ষতিকর ‘ফিডব্যাক লুপ’ তৈরি

এআই মূলত ব্যবহারকারীর কথা বা পছন্দের ধরন অনুযায়ী উত্তর দিতে শেখে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. ম্যাথু নূরের মতে, চ্যাটবট অনেক সময় মানুষের অবাস্তব বিশ্বাসকে সমর্থন দিয়ে বসে। ফলে একজন বিষণ্ন ব্যক্তি যদি ভাবেন যে 'দুনিয়ায় কেউ তাকে ভালোবাসে না', তবে এআই-এর উত্তরে সেই ধারণা আরও দৃঢ় হতে পারে। এই ‘ফিডব্যাক লুপ’ মানসিক রোগীকে সুস্থ করার বদলে আরও অসুস্থ করে তোলে।

২. দীর্ঘ আলোচনায় অসংলগ্ন আচরণ

ওপেনএআই নিজেই স্বীকার করেছে যে, ছোটখাটো সাধারণ তথ্যের ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি ভালো কাজ করলেও দীর্ঘ ও জটিল আলোচনায় এর নিরাপত্তা বলয় দুর্বল হয়ে পড়ে। লম্বা সময় ধরে কথা বললে চ্যাটবট আগের তথ্য ভুলে যেতে পারে বা এমন কিছু পরামর্শ দিতে পারে যা ব্যবহারকারীর জন্য ক্ষতিকর। মানুষের মতো এআই-এর কোনো 'থিওরি অফ মাইন্ড' বা দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য অনুসরণের ক্ষমতা নেই।

৩. কিশোর ও শিশুদের জন্য বাড়তি ঝুঁকি

কিশোর-কিশোরীরা অনেক সময় এআই-এর কৃত্রিম সহমর্মিতাকে প্রকৃত মানবিক আবেগ বলে ভুল করে। তারা চ্যাটবটের ওপর মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, যা তাদের সামাজিক দক্ষতা ও সম্পর্ক গড়ার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। অনেক ক্ষেত্রে কিশোররা মানুষের বদলে এআই-এর সাথে কথা বলাকেই নিরাপদ মনে করে, যা দীর্ঘমেয়াদে তাদের জন্য একাকীত্ব ও মানসিক অস্থিরতা বয়ে আনে।

৪. আইনি সুরক্ষা ও গোপনীয়তার অভাব

একজন পেশাদার থেরাপিস্ট আইনত আপনার গোপন তথ্য রক্ষা করতে বাধ্য। কিন্তু ওপেনএআই-এর সিইও স্যাম অল্টম্যান নিজেই স্বীকার করেছেন যে, চ্যাটজিপিটির সঙ্গে শেয়ার করা তথ্যের কোনো আইনি গোপনীয়তা সুরক্ষা নেই। আপনার একান্ত ব্যক্তিগত কথা ও মানসিক অবস্থা ডেটা হিসেবে সংরক্ষিত হয়, যা পরবর্তীতে আপনার গোপনীয়তা নষ্টের কারণ হতে পারে।

তথ্যসূত্র: ম্যাশেবল

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়