শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:০৫ সকাল
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ায় শিশুদের সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধ: ৫ লাখের বেশি অ্যাকাউন্ট ব্লক করল মেটা

শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অস্ট্রেলিয়া সরকারের নেওয়া কঠোর পদক্ষেপের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। দেশটিতে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার নতুন আইন কার্যকরের প্রথম কয়েক দিনে মেটা প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার অ্যাকাউন্ট ব্লক বা বন্ধ করে দিয়েছে। আজ সোমবার মেটার পক্ষ থেকে এক ব্লগ আপডেটে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মেটা জানিয়েছে, নতুন আইন পরিপালনের অংশ হিসেবে তারা তাদের তিনটি প্রধান প্ল্যাটফর্ম থেকে বিপুল অ্যাকাউন্ট সরিয়ে নিয়েছে। এর মধ্যে ইনস্টাগ্রামের ৩ লাখ ৩০ হাজার ৬৩৯টি অ্যাকাউন্ট, ফেসবুকের ১ লাখ ৭৩ হাজার ৪৯৭টি অ্যাকাউন্ট ও থ্রেডসের ৩৯ হাজার ৯১৬টি অ্যাকাউন্ট।

গত বছরের ১০ ডিসেম্বর থেকে অস্ট্রেলিয়ায় কার্যকর হওয়া এই আইনটি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে কঠোর অনলাইন রেগুলেশন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই আইনের বিশেষত্ব হলো—ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মতো জায়গায় মা-বাবার অনুমোদনের ভিত্তিতে শিশুদের অ্যাকাউন্ট রাখার সুযোগ থাকলেও, অস্ট্রেলিয়ায় এমন কোনো ছাড় রাখা হয়নি। আইন লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিকে সর্বোচ্চ ৫ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

তবে আইন করে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করলেও মেটা এই ঢালাও নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে আসছে। মেটা কর্তৃপক্ষের দাবি, বয়স যাচাইয়ের দায়িত্বটি সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ওপর না রেখে ‘অ্যাপ স্টোর’ (যেমন অ্যাপল বা গুগল প্লে স্টোর) পর্যায়ে করা উচিত। মেটার মতে, এর ফলে শিশুরা একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে নিষিদ্ধ হয়ে অন্য কোনো কম নিরাপদ অ্যাপে যাওয়ার সুযোগ পাবে না।

এদিকে আইনটি অভিভাবকদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেলেও অনেক বিশেষজ্ঞ এবং শিশু-কিশোররা এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষ করে এলজিবিটিকিউ+ এবং নিউরোডাইভারজেন্ট সম্প্রদায়ের কিশোর-কিশোরীরা দাবি করছে, এই নিষেধাজ্ঞা তাদের সামাজিক যোগাযোগ ও সমর্থনের সুযোগ কেড়ে নিচ্ছে। অন্যদিকে, প্রযুক্তি বোদ্ধাদের আশঙ্কা—ভিপিএন ব্যবহার করে বা বয়স সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিয়ে অনেকে এই নিষেধাজ্ঞা ফাঁকি দিতে পারে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়