শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:২৮ সকাল
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অচেনা নম্বর থেকে আসা জাল এসএমএস চেনার সহজ উপায়

বর্তমানে মোবাইল ফোনে ভুয়া বা জাল এসএমএসের সংখ্যা বাড়ছে। এসব মেসেজের মাধ্যমে অনেক সময় মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তাই অচেনা নম্বর থেকে আসা মেসেজ দেখলে একটু বেশি সতর্ক হওয়া জরুরি।

ভুয়া এসএমএস চেনার কিছু সহজ উপায় আছে। প্রথমেই খেয়াল করুন মেসেজের ভাষা। যদি সেখানে বানান ভুল থাকে বা ভাষা অস্বাভাবিক মনে হয়, তাহলে সেটি সন্দেহজনক হতে পারে। সাধারণত ব্যাংক বা পরিচিত কোনো সংস্থা তাদের গ্রাহকদের কাছে পরিষ্কার ও নির্ভুল ভাষায় বার্তা পাঠায়।

মেসেজটি কোন নম্বর থেকে এসেছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। পরিচিত ব্যাংক বা সংস্থা সাধারণত নির্দিষ্ট ও পরিচিত নম্বর থেকেই এসএমএস পাঠায়। অচেনা বা অস্বাভাবিক নম্বর থেকে আসা মেসেজ হলে সেটি যাচাই করা উচিত।

কোনো মেসেজে যদি ব্যক্তিগত তথ্য জানতে চাওয়া হয়—যেমন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, ওটিপি, পিন নম্বর বা পাসওয়ার্ড—তাহলে সেই মেসেজ একেবারেই এড়িয়ে চলুন। কোনো ব্যাংক বা বিশ্বস্ত সংস্থা কখনোই এসএমএসের মাধ্যমে এমন তথ্য চায় না।

এ ছাড়া মেসেজে থাকা সন্দেহজনক লিঙ্কে ক্লিক করা থেকেও বিরত থাকতে হবে। অনেক সময় দ্রুত বড় পুরস্কার, লোভনীয় ছাড় বা বিশেষ অফারের কথা বলে মানুষকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করা হয়। এগুলোও ভুয়া মেসেজের সাধারণ লক্ষণ।

একই মেসেজ বারবার আসলে বা বিভিন্ন নম্বর থেকে একই ধরনের বার্তা এলে সেটিও সতর্ক হওয়ার ইঙ্গিত। যদি কোনো মেসেজে কোনো ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করা হয়, তাহলে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে তথ্য মিলিয়ে দেখা যেতে পারে।

কোনো মেসেজ নিয়ে সন্দেহ হলে সেটি উপেক্ষা করাই সবচেয়ে নিরাপদ। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে তথ্যের সত্যতা যাচাই করা উচিত। সতর্ক থাকলেই এ ধরনের প্রতারণা থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখা সম্ভব।

সূত্র: কালবেলা

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়