শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৮:২২ রাত
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথে ভারতের ওপর নির্ভরতা কমাতে বিকল্প পথ বেছে নিল বাংলাদেশ

ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথে ভারতের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তুলছে বাংলাদেশ। ক্রমবর্ধমান ইন্টারনেট চাহিদা ও বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ আমদানিতে নতুন পথ বেছে নিয়েছে সরকার।

এর অংশ হিসেবে বেসরকারি খাতে সাবমেরিন কেবল সংযোগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং নতুন আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামে যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

বর্তমানে দেশের মোট ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ চাহিদার প্রায় অর্ধেক পূরণ করছে রাষ্ট্রায়ত্ত দুটি সাবমেরিন কেবল। বাকি অংশ আমদানি করতে হয় ভারত থেকে স্থলভিত্তিক সংযোগের মাধ্যমে। এতে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে। এই নির্ভরতা কমাতে সরকার দীর্ঘদিন ধরেই বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করছিল।

প্রযুক্তি সংশ্লিষ্টদের মতে, বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সাবমেরিন কেবল কনসোর্টিয়ামে যুক্ত করা গেলে বছরে প্রায় ২৪ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় সম্ভব। সেই লক্ষ্যেই আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে সরকার ইতোমধ্যে তিনটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সাবমেরিন কেবল স্থাপন ও পরিচালনার লাইসেন্স দিয়েছে।

বর্তমানে রাষ্ট্রায়ত্ত সাবমেরিন কেবলের মধ্যে প্রথমটির মেয়াদ দুই বছরের মধ্যে শেষ হচ্ছে। অন্যদিকে দ্বিতীয়টির মেয়াদ থাকলেও বাড়তি চাহিদার কারণে এর সক্ষমতা নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে বড় ধরনের ব্যান্ডউইথ সংকটের ঝুঁকি রয়েছে।

প্রযুক্তিবিদ আমিনুল হাকিম জানান, ২০২৬ সালে তৃতীয় সাবমেরিন কেবল ‘এসএমডব্লিউ-৬’ কনসোর্টিয়ামে যুক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত এই দুই বছর সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং সময়। এই শূন্যতা পূরণ করতেই বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আনা হয়েছে।

লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো জানায়, তারা ২০২৩ সালের মাঝামাঝি কিংবা ২০২৪ সালের শুরুতেই সাবমেরিন কেবলের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা চালু করতে চায়।

এ লক্ষ্যে ভারত ছাড়াও জাপান ও সিঙ্গাপুর ভিত্তিক একাধিক আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ভারত থেকে ব্যান্ডউইথ আমদানির প্রয়োজন উল্লেখযোগ্য ভাবে কমবে।

তবে শুধু আন্তর্জাতিক সংযোগ নয়, দেশের ভেতরে ব্যান্ডউইথ বিতরণ ও তৃণমূল পর্যায়ে ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়াও বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডাররা। আইএসপিএবি সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, টেকসই ইন্টারনেট ব্যবস্থার জন্য অবকাঠামো উন্নয়ন ও সরবরাহ সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ প্রথমবার আন্তর্জাতিক সাবমেরিন কেবল কনসোর্টিয়ামে যুক্ত হয় ২০০৬ সালে।

সূত্র: ইনকিলাব

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়