শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৮:৪৯ রাত
আপডেট : ২৮ মে, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এক দশক পর ‘নীরব’ নিউট্রন নক্ষত্র পি-১৩ ফের সক্রিয়: এক্স-রে উজ্জ্বলতা ১০০ গুণ বৃদ্ধি

দীর্ঘ সময় নীরব থাকার পর হঠাৎ আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি নিউট্রন নক্ষত্র। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ঘটনা মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এক্স-রে উৎসগুলোর রহস্য বুঝতে নতুন তথ্য দিচ্ছে।

নিউট্রন নক্ষত্রটির নাম পি-১৩ (P-13)। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় এক কোটি আলোকবর্ষ দূরে এনজিসি ৭৭৯৩ নামের একটি গ্যালাক্সিতে অবস্থিত। গবেষকরা ২০১১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নক্ষত্রটিকে পর্যবেক্ষণ করেছেন। ২০২১ সালে এটি প্রায় নিস্তেজ হয়ে পড়েছিল। তবে ২০২৪ সালের মধ্যে এর এক্স-রে উজ্জ্বলতা হঠাৎ করে ১০০ গুণেরও বেশি বেড়ে যায়।

নিউট্রন নক্ষত্র হলো একটি অত্যন্ত ঘন নক্ষত্র। এতে অন্য নক্ষত্রের গ্যাস বা পদার্থ খুব দ্রুত গতিতে পড়তে থাকে। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় অ্যাক্রেশন (অন্য বস্তু থেকে পদার্থ টেনে নেওয়া)। এই সময় নক্ষত্রটি শক্তিশালী এক্স-রে বিকিরণ করে। পি-১৩-এর ক্ষেত্রে দেখা গেছে, গ্যাস মূলত এর চৌম্বক মেরু দিয়ে পড়ে উজ্জ্বল আলোর স্তম্ভ তৈরি করছে।

গবেষণায় আরও দেখা যায়, নক্ষত্রটি আবার উজ্জ্বল হওয়ার সময় তার ঘূর্ণনের গতি (স্পিন) দ্বিগুণ হারে বাড়তে থাকে এবং এই গতি কয়েক বছর স্থায়ী হয়। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এর মানে হলো গ্যাস পড়ার ধরন বা গঠন (অ্যাক্রেশন স্ট্রাকচার) নীরব সময়ের মধ্যে বদলে গেছে।

বিশেষ বিশ্লেষণে ধারণা পাওয়া গেছে, এই সময় নক্ষত্রটির ওপর গঠিত আলোকস্তম্ভের উচ্চতাও পরিবর্তিত হয়েছে। এতে বিজ্ঞানীরা ‘সুপারক্রিটিক্যাল অ্যাক্রেশন’ সম্পর্কে (অত্যন্ত দ্রুত হারে পদার্থ পতন) গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছেন।

গবেষকদের মতে, এই পর্যবেক্ষণ ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করবে কেন কিছু নিউট্রন নক্ষত্র দীর্ঘদিন শান্ত থাকে, আবার হঠাৎ করে প্রচণ্ড শক্তিশালী হয়ে ওঠে। একই সঙ্গে এটি মহাবিশ্বের অতিশক্তিশালী এক্স-রে উৎস বোঝার পথও পরিষ্কার করছে।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়