শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ১৯ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:০৭ সকাল
আপডেট : ০১ মে, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া এআই কনটেন্ট চেনার সহজ উপায়

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিদিন অসংখ্য ছবি, ভিডিও ও অডিও ঘুরে বেড়ায়। এদের অনেকটাই এমনভাবে তৈরি করা হয় যে প্রথম দেখায় সত্যি বলে মনে হয়, আর সেই সুযোগেই ছড়িয়ে পড়ে ভুয়া তথ্য। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহজলভ্য হওয়ায় এখন নকল কনটেন্ট বানানো অনেক সহজ। তাই আসল–নকল আলাদা চিনতে পারা অত্যন্ত জরুরি।

খুঁটিনাটির দিকে খেয়াল রাখুন

এআই–তৈরি ছবি বা ভিডিও দেখে প্রথমে সত্যি মনে হতে পারে, কিন্তু মনোযোগ দিলে ভুলগুলো বোঝা যায়—আঙুলের অস্বাভাবিক গঠন, মুখের পাশে অদ্ভুত ঝাপসা ভাব, চোখের অদ্ভুত দৃষ্টি, দাঁতের অমিল ইত্যাদি। ভিডিওতে ঠোঁটের নড়াচড়া ও শব্দের তাল না মেলা ডিপফেকের বড় লক্ষণ।

ব্যাকগ্রাউন্ডেও লুকিয়ে থাকে সূত্র

অনেক সময় মূল ছবিটি ঠিকঠাক হলেও পেছনের দৃশ্যে ভুল থাকে—ছায়া ভুল দিকে পড়া, আলো অস্বাভাবিক হওয়া, কোনো বস্তুর আকৃতি বেঁকে যাওয়া, একই জিনিস দুইবার দেখা যাওয়া বা অতিরিক্ত নিখুঁত ব্যাকগ্রাউন্ড—এসবই এআইয়ের পরিচিত চিহ্ন।

উৎস যাচাই করে দেখুন

কোনো ছবি বা ভিডিও সন্দেহজনক মনে হলে আগে উৎস খুঁজে দেখুন। গুগল লেন্সের মতো রিভার্স–সার্চ টুল ব্যবহার করে যাচাই করুন এটি প্রথম কোথায় প্রকাশিত হয়েছে। যদি দেখা যায় অন্য প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হয়েছিল বা কৃত্রিম ছবি তৈরির সাইটে পাওয়া যাচ্ছে, তাহলে সেটি নিয়ে সন্দেহ করা উচিত।

শব্দ, ভাষা ও বক্তব্যেও থাকে ইঙ্গিত

এখন কেবল ছবি নয়, কণ্ঠস্বরও নকল করা সম্ভব। তাই পরিচিত ব্যক্তিদের নামে ভুয়া বক্তব্য ছড়ানো হয়। এসব ভিডিওতে সাধারণত উচ্চারণ, শব্দের গতি বা ঠোঁটের নড়াচড়ায় অসামঞ্জস্য দেখা যায়। এআই–তৈরি লেখা বা ক্যাপশনে দেখা যায় অদ্ভুত বাক্যগঠন বা অপ্রাসঙ্গিক তথ্য।

বিশ্বস্ত সূত্রকে অগ্রাধিকার দিন

ভাইরাল কিছু দেখলেই শেয়ার করা উচিত নয়। অপরিচিত পেজ, সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট বা অযাচাইকৃত ওয়েবসাইটের তথ্য বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে। বরং নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম বা সরকারি সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া ভালো।

ভুয়া কনটেন্ট ঠেকানোর প্রথম শর্ত হলো ব্যক্তিগত সতর্কতা। কোনো ছবি বা ভিডিও দেখলেই নিজেকে প্রশ্ন করুন—এটি সত্যি তো? যাচাই না করে কখনো শেয়ার করবেন না। তথ্যের যুগে সচেতনতাই সবচেয়ে বড় শক্তি।

সূত্র: যুগান্তর 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়