শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ১৯ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:১৪ দুপুর
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এলিয়েনরা বিরক্ত হয়ে পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করেছে: নতুন বৈজ্ঞানিক ধারণা

গার্ডিয়ান: শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষ এক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে—মহাবিশ্বে কোটি কোটি গ্রহ থাকা সত্ত্বেও কেন আমরা কোনো বুদ্ধিমান প্রাণের দেখা পাচ্ছি না?

এবার একদল বিজ্ঞানী বলছেন, হয়তো মহাজাগতিক জীবেরা (এলিয়েন) একসময় তাদের আশপাশ ঘুরে দেখেছিল। কিন্তু পরে বিরক্ত হয়ে পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা বন্ধ করে দিয়েছে।

এই ধারণা এসেছে মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড. রবিন করবেটের একটি নতুন গবেষণাপত্র থেকে। তিনি নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের গবেষক। করবেট এই ধারণাকে বলেছেন radical mundanity অর্থাৎ ‘অতি সাধারণ সম্ভাবনা’। এর মানে এলিয়েনরা আমাদের মতোই প্রযুক্তিতে কিছুটা এগিয়ে, কিন্তু খুব বেশি নয়।

তার ভাষায়, তাদের প্রযুক্তি হয়তো আমাদের চেয়ে সামান্য উন্নত যেমন আইফোন ১৭-এর চেয়ে আইফোন ৪২, কিন্তু তেমন বিশাল পার্থক্য নয়।

বিজ্ঞানীরা আগে ‘ফার্মি প্যারাডক্স’ নিয়ে নানা ব্যাখ্যা দিয়েছেন। কেন মহাবিশ্বে এত গ্রহ থাকা সত্ত্বেও আমরা অন্য বুদ্ধিমান প্রাণের কোনো প্রমাণ পাইনি। কেউ বলেছিলেন, হয়তো তারা এত উন্নত যে আমরা তাদের শনাক্তই করতে পারি না। কেউ বলেছেন, হয়তো পৃথিবীকে ‘মহাজাগতিক চিড়িয়াখানা’ ভেবে তারা ইচ্ছে করেই দূরে থেকেছে।

কিন্তু করবেটের মতে, বাস্তব ব্যাখ্যা হতে পারে তারা আমাদের মতোই প্রযুক্তিগত সীমায় পৌঁছে গেছে। তাদের কাছে আলো-গতির চেয়ে দ্রুত ভ্রমণ, ডার্ক এনার্জি বা ব্ল্যাকহোল-নির্ভর যন্ত্র এসব নেই। তাই তারা কোটি বছর ধরে শক্তিশালী লেজার সংকেত পাঠাতে বা গ্রহে গ্রহে ঘোরাফেরা করতে সক্ষম নয়। সম্ভবত তারা কিছু সময় রোবট পাঠিয়ে মহাবিশ্ব ঘুরে দেখেছে, পরে সেই কাজের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে।

বিখ্যাত বিজ্ঞান কল্পকাহিনি লেখক আর্থার সি. ক্লার্ক একবার বলেছিলেন, দুটি সম্ভাবনা আছে—আমরা একা, অথবা আমরা একা নই। দুটোই ভয়ংকর।

তবে সব বিজ্ঞানী একমত নন। যুক্তরাজ্যের জ্যোতির্বিজ্ঞানী প্রফেসর মাইকেল গ্যারেট বলেন, এই তত্ত্বটা মানুষের একধরনের অলসতার ভাবনা। আমি মনে করি না, অন্য কোনো সভ্যতা হয়তো এত দ্রুত এগিয়েছে যে আমরা তাদের শনাক্ত করতে পারি না। অনুবাদ: বাংলাদেশ প্রতিদিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়