শিরোনাম
◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক ◈ হাদি হত্যা মামলায় জাবেরকে বাদী করার কারণ জানতে চান বোন মাসুমা ◈ বাজেট অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে  ◈ গ‌্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের হুম‌কি‌তে আ‌মি প্রস্রাব ক‌রে দেই, আইপিএলের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন ললিত মো‌দি ◈ আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, আচরণবিধিতে আসছে বড় পরিবর্তন

প্রকাশিত : ০৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৫০ বিকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাটির নিচে বছরের পর বছর পানি ছাড়াই বেঁচে থাকে যে মাছ!

মাছ মানেই পানির প্রাণী, পানি ছাড়া মাছের বেঁচে থাকার কথা আমরা কল্পনাও করতে পারি না। ​প্রকৃতিতে এমন এক মাছের অস্তিত্ব রয়েছে যা পানি ছাড়াও বছরের পর বছর বেঁচে থাকতে পারে। অবিশ্বাস্য মনে হলেও ‘আফ্রিকান লাংফিশ’ ঠিক এই অসাধ্য সাধন করেই টিকে আছে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে। সম্প্রতি আফ্রিকার খরাপ্রবণ অঞ্চলগুলোতে এই মাছের অদ্ভুত জীবনধারণের প্রক্রিয়া বিজ্ঞানীদের পুনরায় চমকে দিয়েছে।

সাধারণত মাছ ফুলকার সাহায্যে পানির নিচে শ্বাস নেয়। কিন্তু আফ্রিকান লাংফিশের রয়েছে উন্নত ফুসফুস, যার সাহায্যে তারা সরাসরি বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে। যখন জলাশয় শুকিয়ে যায়, তখন এরা কাদার নিচে প্রায় দুই থেকে চার ফুট গভীর গর্ত করে ভেতরে ঢুকে পড়ে।

​সেখানে তারা নিজের শরীর থেকে এক ধরণের আঠালো রস নিঃসরণ করে একটি শক্ত আবরণ বা ‘কোকুন’ তৈরি করে। এই অবস্থায় এদের বিপাক প্রক্রিয়া বা মেটাবলিজম অত্যন্ত ধীর হয়ে যায়, যাকে বলা হয় 'এস্টিভেশন'। এভাবে পানি বা খাবার ছাড়াই তারা একটানা চার বছর পর্যন্ত মাটির নিচে ঘুমন্ত অবস্থায় বেঁচে থাকতে পারে।

​আফ্রিকার অনেক শুষ্ক অঞ্চলে স্থানীয় বাসিন্দারা খরা মৌসুমে কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়ে এই মাছ সংগ্রহ করেন। দেখা যায়, শুকনো মাটির নিচে পাথরের মতো শক্ত আবরণে মোড়ানো মাছগুলো পানি পাওয়ার সাথে সাথেই আবার সজাগ হয়ে ওঠে এবং স্বাভাবিকভাবে সাঁতার কাটতে শুরু করে।

​বিজ্ঞানীদের মতে, আফ্রিকান লাংফিশ একটি ‘জীবন্ত জীবাশ্ম’। প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর ধরে এদের শারীরিক গঠনে খুব একটা পরিবর্তন আসেনি। ডাইনোসর যুগেরও আগে থেকে টিকে থাকা এই মাছটি বিবর্তনবিদ্যার গবেষকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ করে এদের ডিএনএ'র গঠন মানুষের তুলনায় কয়েক গুণ বড়, যা তাদের প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার অসামান্য ক্ষমতা দেয়। জলবায়ু পরিবর্তনের এই যুগে চরম খরা ও প্রতিকূলতায় কীভাবে একটি প্রাণী নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে, তার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই আফ্রিকান লাংফিশ। সূত্র: আরটিভি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়