শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ১৬ অক্টোবর, ২০২৫, ০৭:৫১ বিকাল
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আগামী দশ বছরে টাকা, জমি বা স্বর্ণকে হারাবে সবচেয়ে মূল্যবান যে সম্পদ

বর্তমানে সম্পদ বলতে টাকা, সোনা বা জমিকে বোঝালেও, ভারতের জেরোধার সহ-প্রতিষ্ঠাতা নিখিল কামাত ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে আগামী দশকে এই ধারণা আমূল পরিবর্তিত হবে।

ইলেকট্রন ও শক্তি, অর্থাৎ বিদ্যুৎই বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান 'কারেন্সি' বা সম্পদ হয়ে উঠবে যা বিশ্বব্যাপী আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এই ভবিষ্যদ্বাণীর মূল কারণ হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং ডেটা সেন্টারের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া। কারণ একটি নতুন ডেটা সেন্টার বছরে প্রায় ৪ লক্ষ বৈদ্যুতিক গাড়ির সম্মিলিত বিদ্যুৎ খরচের চেয়েও বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে।

এই বিপুল চাহিদার কারণে একটি ডেটা সেন্টারের মোট পরিচালন ব্যয়ের প্রায় ৬৫% শুধুমাত্র কম্পিউটিং এবং কুলিংয়ের মতো বিদ্যুৎ-নির্ভর কাজেই ব্যয় হচ্ছে। যেখানে বর্তমানে ডেটা সেন্টারের সংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্র (৩,৬৮০টি) শীর্ষে, সেখানে বিশ্বজুড়ে সার্ভারের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে বিদ্যুৎ চাহিদা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, গবেষণা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর ১০% কেবল এই ডেটা সেন্টারগুলোর জন্যই প্রয়োজন হবে। এই বাস্তবতার নিরিখে নিখিল কামাতের এই বক্তব্য ভবিষ্যতের সম্পদ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ বা শক্তিকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় তুলে ধরে এক গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়