শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ০৪ মে, ২০২৬, ০২:৪২ দুপুর
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

মা‌য়ের সোনার গহনা আর বাবার ৪টা দোকান বেচে কার্তিক শর্মা হ‌লেন ক্রিকেটার

স্পোর্টস ডেস্ক : বাবা বলেছিলেন, বল ডিফেন্স করলেই মারবেন। তাই চার-ছক্কা মারা অভ্যাস করেছিলেন রাজস্থানের ভরতপুরের এক কিশোর ক্রিকেটার। বাড়িতে অভাব। দোকান বিক্রি করে ছেলের ক্রিকেট স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছিলেন মনোজ শর্মা। সোনার গহনা বেচে দিয়েছিলেন মা। আইপিএল নিলামে ১৪.২০ কোটি টাকায় সিএসকে তুলে নেওয়ার পর কার্তিক শর্মার প্রথম লক্ষ্য ছিল পরিবারের দেনা শোধ করা। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে যে ফর্মে ছিলেন, সেই ম্যাজিক ব্যাটটা খুঁজে পাচ্ছিলেন না ২০ বছর বয়সি ক্রিকেটার। অবশেষে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ঠান্ডা মাথায় হাফসেঞ্চুরি করে চেন্নাইকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন কার্তিক।

ভরতপুর এমনিতে পাখির জন্য বিখ্যাত। সেখানের এক তরুণের উড়ান দেখার জন্য অপেক্ষায় ছিলেন অনেকে। সেই ইনিংসটা এল আইপিএলের ‘এল ক্লাসিকো’য়। ৪০ বলে ৫৪ রানের ঝকঝকে ইনিংসে ৮ উইকেটে ম্যাচ জিতে প্লেঅফের লড়াইয়ে ভেসে রইল চেন্নাই। বাবার কথামতো ৪টে চার ও তিনটে ছক্কা হাঁকিয়েছেন কার্তিক। 

আর ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়ারের (৬৭) সঙ্গে স্ট্রাইক রোটেট করে গিয়েছেন। অধিনায়ক তাঁকে পথ দেখিয়েছেন। আর কার্তিক মাথা ঠান্ডা রেখে ধীরে ধীরে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে গিয়েছেন। আবার প্রয়োজনে রানের গতি বাড়িয়েছেন।

মাত্র ৪ বছর বয়সে ক্রিকেট শুরু কার্তিকের। বাবারও ইচ্ছা ছিল ক্রিকেটার হওয়ার। চোটের জন্য সেই স্বপ্নপূরণ হয়নি। ৭ বছর বয়সে কার্তিককে ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে নিয়ে গেলেও প্রথমে সেখানকার কোচ ভর্তি নিতে রাজি হননি। কিন্তু একটা বল খেলার পরই সিদ্ধান্ত বদলান কোচ। কার্তিকের সফর শুরু। কিন্তু বাড়িতে যে অভাব। বাবার ইংরেজি কোচিং ক্লাস ছিল। ছেলের জন্য সেগুলো বন্ধ করে দেন। বাড়িতে বোলিং মেশিন বসান।

৬টা দোকান ছিল, তার মধ্যে চারটে বেচে দিতে হয়। বিক্রি হয়ে যায় মায়ের সোনার গহনাও। মোট ২৬ লাখ টাকার দেনা ছিল। নিলামে ১৪ কোটি পাওয়ার পর নিশ্চয়ই সেই দেনা শোধ করেছেন। এবার তাঁর ব্যাট কথা বলে উঠল। টাকার দেনা শোধ করা যায়, কিন্তু বাবা-মায়ের ত্যাগ তো আর শোধ করা যায় না। কিন্তু এদিন কার্তিকের ইনিংসে যেন পরিবারের পরিশ্রমের যোগ্য মর্যাদা দিলো।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়