শিরোনাম
◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা!

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৬:১৬ বিকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এখনও আনুষ্ঠানিক চিঠি দেয়নি পাকিস্তান, সিদ্ধান্ত বদলাতে নীরবে কূটচাল চালাচ্ছে আইসিসি!

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে এমন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। তবে এই বিষয়ে এখনও আইসিসিকে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেয়নি দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। এরই মাঝে পাকিস্তানের সিদ্ধান্ত বদলাতে দরজার আড়ালে চেষ্টা চালাচ্ছে আইসিসি।

এক প্রতিবেদনে এমনটা জানিয়েছে পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডন। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামার কথা ছিল পাকিস্তানের। এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের ম্যাচ আয়ের দিক থেকে আইসিসির জন্য সবচেয়ে লাভজনক হয়। 

সূত্রের বরাতে ডন জানিয়েছে, বিশ্বকাপ সূচিতে থাকা ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের ১৫ দিন আগেই এলো বয়কটের ঘোষণা। এর মধ্য দিয়ে সম্ভাব্য বিকল্প ভাবতে আইসিসির হাতে যথেষ্ট সময় আছে বলে মনে করে পাকিস্তান। একাধিক ক্রিকেট বোর্ডও আইসিসিকে সহায়তা করছে, যাতে পিসিবির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সমাধানে পৌঁছানো যায়। বৃহৎ আর্থিক লোকসান এড়ানোর লক্ষ্যে আইসিসি দরজার আড়ালে পিসিবির সঙ্গে কথা চালাচালি করছে।

ঠিক কী কারণে পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটি তারা আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। তবে আইসিসির পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ, বিশেষ করে বাংলাদেশের সঙ্গে করা বৈষম্যের সিদ্ধান্তই এর নেপথ্য কারণ বলে উল্লেখ করেছিল দেশটির গণমাধ্যম জিও নিউজ।  

এর আগে ১৯৯৬ বিশ্বকাপে নিরাপত্তা ইস্যুতে শ্রীলঙ্কার মাটিতে খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একইভাবে রাজনৈতিক ইস্যুতে ২০০৩ বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়ায় ম্যাচ বয়কট করেছিল ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। 

তবে সেসব ঘটনার সঙ্গে বর্তমানে মিল নেই দাবি করে পাকিস্তানের সিদ্ধান্তকে ভুল বলে মনে করছে ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট একটি পক্ষ। তবে পিসিবির এক সূত্র ডনকে জানিয়েছেন, ২০১৮ সালে ভারতের বিরুদ্ধে আইসিসির বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির (ডিআরসি) কাছে দেওয়া অভিযোগের কার্যবিধি অনুসারে বর্তমানের এই অবস্থান।

ওই অভিযোগের উত্থান ঘটেছিল পিসিবি ও বিসিসিআইয়ের মধ্যকার ২০১৪ সালে স্বাক্ষরিত একটি এমওইউ চুক্তি ভারত লঙ্ঘন করার দাবিতে। ওই চুক্তিতে বলা হয়েছিল ২০১৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ভারত-পাকিস্তান ৬টি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলবে। বিনিময়ে পিসিবি আইসিসির ‘বি থ্রি’ রাজস্ব-ভাগাভাগি মডেলে সমর্থন দেয়। যার অধীনে ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড বড় অঙ্কের রাজস্ব পায় বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থার কাছ থেকে। 

ডিআরসিতে অভিযোগের শুনানির সময়ের কথা জানিয়ে সূত্রমতে ডন বলছে, ‘শুনানিতে বিসিসিআইয়ের কাছে পাকিস্তানে সফর না করার ব্যাখ্যা চায় পিসিবি। জবাবে বিসিসিআই কারণ জানাতে বাধ্য নয় বলে উল্লেখ করে, পরবর্তীতে ব্যাখ্যা দেয়– এটি সরকারি সিদ্ধান্ত।’ 

সূত্র: ইত্তেফাক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়