শিরোনাম
◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ◈ ভালো ব্যাংকও রক্ষা পায়নি, ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৪৪টির অবস্থার অবনতি, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পাহাড় ◈ ভারতে ডেটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী রবিন খুদা! ◈ জেল থেকে ফিরে নানা আলোচনার কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী, সরগরম চুনকা কুঠির ◈ মাদকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নাকি আইন হাতে তুলে নেওয়া? ভাইরাল গণপিটুনির ঘটনায় বিতর্ক ◈ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সেই ‘ডলার’কে নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন রামিসার বাবা ◈ আদালতের ঐতিহাসিক রায়: ১৬ দিনে বিচার সম্পন্ন, রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:৪৬ দুপুর
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অসম্মান থেকেই ক্রিকেট ছেড়েছিলেন! অবসরের ৭ বছর পর মুখ খুললেন যুবরাজ সিং

স্পোর্টস ডেস্ক : তাঁকে ছাড়া অসম্ভব ছিল বিশ্বকাপ জয়। শরীরে মারণ ক্যানসার নিয়েও ২০১১ সালে ভারতকে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন যুবরাজ সিং। টুর্নামেন্টের সেরা ক্রিকেটারও হয়েছিলেন। সেই যুবরাজ পেশাদার কেরিয়ারের শেষ পর্যায়ে এসে ক্রিকেটকে উপভোগ করছিলেন না। অসম্মানিতও হয়েছিলেন। সেই হতাশা থেকেই অবসর নিয়েছিলেন। খেলা ছাড়ার ৭ বছর পর এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন তিনি।

২০১৯ সালের জুনে অবসর নিয়েছিলেন ভারতীয় অলরাউন্ডার। ওয়ানডে বিশ্বকাপ দলে সুযোগ না পেয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তো বটেই, আইপিএল থেকেও সরে দাঁড়ান। সানিয়া মির্জার পডকাস্টে যুবরাজ বলেন, ক্রিকেট থেকে আনন্দ পাচ্ছিলাম না। 

বারবার মনে হচ্ছিল, যখন আমি উপভোগই করতে পারছি না, তখন কেন খেলছি? তাছাড়াও কোনও সমর্থন পাচ্ছিলাম না। নিজেকে অসম্মানিত মনে হচ্ছিল। এগুলোই যখন আমার কাছে নেই, তখন খেলা চালিয়ে যাব কেন? ---- সংবাদপ্রতি‌দিন

কার কাছ থেকে তিনি সমর্থন পাননি বা অসম্মানিত হয়েছিলেন, তা জানাননি যুবি। যুবরাজের সংযোজন, “যা উপভোগই করছি না, তাকে আঁকড়ে ধরে থাকার কোনও অর্থ খুঁজে পাইনি। বারবার নিজেকে প্রশ্ন করেছি, কী প্রমাণ করার জন্য খেলছি? সেই সময় মানসিক বা শারীরিকভাবে বাড়তি কিছু দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। এটাই আমাকে কষ্ট দিচ্ছিল। তবে যেদিন খেলা ছাড়লাম, সেদিনই যেন নিজেকে ফিরে পেয়েছিলাম।

একটা সময় নভজ্যোৎ সিং সিধু যুবরাজের প্রতিভা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। “তাঁর কাছে হয়তো আমাকে ঠিকমতো বিচারের জন্য সময় ছিল না। উনি কেবল আমার বাবার সঙ্গে সখ্যতা রেখেছিলেন। সেই সময় তিনি ভারতের হয়ে খেলছেন। 

আর আমার বয়স তখন ১৩ বা ১৪। সবেমাত্র খেলাটাকে বোঝার চেষ্টা করছি। ওই মন্তব্য গায়ে না মাখলেও বাবা সেটা ভালোভাবে নেননি। বলেছিলেন, ‘কীভাবে ক্রিকেট খেলতে হয়, তা তোকে শেখাচ্ছি’। বলছেন ভারতের হয়ে জোড়া বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়