শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ০৪ মে, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীকে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় দেখতে চাই: আসিফ মাহমুদ

আমরা আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে ‘পুকি’ হিসেবে দেখতে চাই না। প্রধানমন্ত্রীকে পলিটিক্যালি ভাইব্রেন্ট হিসেবে দেখতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া।

রোববার (৩ মে) কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটে আয়োজিত এক জাতীয় কনভেনশনে তিনি এসব কথা বলেন। ‘জ্বালানি, অর্থনীতি, মানবাধিকার, সংস্কার ও গণভোট’ শীর্ষক এই কনভেনশনের আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক পার্টির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটি।

আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেন, আমরা একটা রাজনৈতিক সরকারের সময় একচন রাজনৈতিক প্রধানমন্ত্রীকে দেখি কেন যেন উনি রাজনৈতিক বিষয়গুলোকে একটু এড়িয়ে যেতে চান। সোশ্যাল মিডিয়ায় বলে যে ‘পুকি’, সেটি হওয়ার একটু চেষ্টা করেন। আমরা আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে ‘পুকি’ হিসেবে দেখতে চাই না। এই জেনারেশন পলিটিক্যালি অনেক বেশি সচেতন হয়েছে। তাকে আমরা একজন পলিটিক্যালি ভাইব্রেন্ট প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই। আশা করছি, আমাদেরকে তিনি রাজনৈতিক দিশা দেখানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবেন।

তিনি বলেন, আমাদের মূলধারার গণমাধ্যমের দল বদলের কারণে মানুষের বিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। ফলে তারা নতুন গণমাধ্যমের দিকে ঝুঁকছে। অভ্যুত্থানের সময় যখন মূলধারা থেকে আমাদের কণ্ঠ প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়, তখন নতুন গণমাধ্যম অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। 

তিনি আরও বলেন, ‌‌‌‘৫ আগস্টের পর যখন সংবাদমাধ্যম দখল হওয়া শুরু করে, সময়ের পরিক্রমায় সেগুলো কেবল হাত বদল হয়েছে। গণমাধ্যম নিয়ে কাজ করতে গেলে যে কোনো সরকার চিন্তায় পড়ে যায়। এর পরিণতি কি হতে পারে, এটা নিয়ে তারা চিন্তিত হয়ে পড়ে। সাংবাদিকরা, মালিকরা ক্ষেপে যেতে পারে এবং সরকারের বিরুদ্ধে চলে যেতে পারে। এটা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও হয়েছে।’

এনসিপির মুখপাত্র বলেন, ‘সাংবাদিকদের অনেকেই গ্রেপ্তার অবস্থায় আছেন, আওয়ামী লীগের অনেকেই গ্রেপ্তার হয়ে আছেন, যথাযথ আইনি কাঠামো না থাকায় যারা ফ্যাসিবাদ হয়ে উঠতে সহায়তা করেছেন, তাদের এখন একটা হিরো ট্রিটমেন্ট দেওয়া হচ্ছে। অথচ তাদের আরও ভয়াবহ শাস্তি হওয়া দরকার ছিল।’ 

মানবাধিকার সার্বজনীন হওয়া উচিত। কিন্তু আমাদের যথেষ্ট আইনি কাঠামো না থাকার কারণে আমরা তা অনুশীলন করতে পারছি না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।  

সূত্র: ইত্তেফাক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়