শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:১৯ রাত
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সমালোচকদের কড়া জবাব দিয়ে যা বললেন শামারুহ মির্জা

ব্যক্তি কি শুধুই তার পারিবারিক পরিচয়ে পরিচিত হবেন, নাকি তার নিজস্ব মেধা ও কর্মই হবে তার আসল পরিচয়? এই চিরন্তন বিতর্কে এবার সরাসরি মুখ খুললেন ড. শামারুহ মির্জা।

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তার বাবার সরকারি অবস্থানকে টেনে এনে সামাজিক মাধ্যমে যে সমালোচনা শুরু হয়েছে, তারই পাল্টা জবাব দিয়েছেন তিনি।

স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি কোনো ‘ম্যাজিক ল্যাম্প’ নন যে চাইলেই সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করবেন।

গত কয়েক দিন ধরে নেটমাধ্যমে শামারুহকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন নেতিবাচক মন্তব্য ভেসে আসছিল। সমালোচকদের অভিযোগের মূল আঙুল ছিল তার পারিবারিক সম্পর্কের দিকে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে একটি দীর্ঘ ফেসবুক পোস্টে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন তিনি।

শামারুহ মির্জা লেখেন- ‘এইটা একটা অদ্ভুত দেশ। আমি একটা কথা বললাম, অমনি শুরু হয়ে গেল— ‘সে এটা বলল, অথচ ওর বাবা সরকারে!’ তো? আমি তো সরকারে নেই!’

তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘যিনি নিজে সরকারের কোনো অংশ নন, তার কাছ থেকে সরকারের নীতিনির্ধারণে হস্তক্ষেপ আশা করা কতটা যুক্তিযুক্ত বা নৈতিক।’

পরিবারতন্ত্রের সংস্কৃতি নিয়ে ক্ষোভ জানিয়ে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী এই গবেষক তার পোস্টে বাংলাদেশের প্রচলিত ‘পরিবারতন্ত্রের সংস্কৃতি’ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তার উত্থাপিত মূল প্রশ্নগুলো হলো- ‘একজন নারীকে কেন সবসময় তার বাবা বা স্বামীর ছায়ায় দেখা হবে? কেন তার নিজস্ব স্বাধীনতা এবং অর্জনকে আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হবে না?’

শামারুহ জানান, ‘অস্ট্রেলিয়ায় দীর্ঘ প্রবাস জীবনে কেউ তাকে তার বংশপরিচয় দিয়ে বিচার করেনি। সেখানে তিনি কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে একজন স্বাধীন মানুষ ও গবেষক হিসেবে গড়ে তুলেছেন। তবে পারিবারিক ঐতিহ্যের প্রতি তার শ্রদ্ধা যে অটুট, সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি জানান, নিজের বাবা-মা এবং পরিবারের অবদানের জন্য তিনি গর্বিত, কিন্তু সেই পরিচয়কে তিনি কখনও ব্যক্তিগত ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে নারাজ।

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে শামারুহ জানান, তার একমাত্র চাওয়া ছিল একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। সেই লক্ষ্য পূরণ হওয়ায় তিনি মানসিকভাবে তৃপ্ত। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে তিনি পুনরায় তার পেশাদার জীবনে এবং গবেষণার কাজে মনোনিবেশ করেছেন। অহেতুক রাজনৈতিক বিতর্কে তাকে জড়ানো যে সম্পূর্ণ অর্থহীন, সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া বার্তার মাধ্যমে তিনি সেই সঙ্কেতই দিয়েছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়