শিরোনাম
◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই ◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ ◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক ◈ হাদি হত্যা মামলায় জাবেরকে বাদী করার কারণ জানতে চান বোন মাসুমা

প্রকাশিত : ০৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩৪ দুপুর
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অন্য কোনো দেশে যাব না, মরলে মরবো ভারতেই: কাতার প্রস্তাব ভেস্তে, ভারতেই থাকতে দৃঢ় শেখ হাসিনা

মানবজমিন প্রতিবেদন: বাংলাদেশের গদিচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনো অবস্থাতেই অন্য কোনো দেশে যেতে রাজি নন। তার পছন্দ ভারত। এখানেই তিনি আছেন। এখানেই থাকতে চান। এমনকি এটাও বলেছেন, মরলে মরবো ভারতেই। তাই তাকে কাতারে পাঠানোর একটা তৎপরতা ভেস্তে গেছে। অন্তর্বর্তী জমানায় হাসিনাকে স্থানান্তরের বিষয়ে ভারত, বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় দূতিয়ালীতে এমনই একটা সিদ্ধান্ত হয়েছিল । কিন্তু হাসিনা বেঁকে বসেন। বলেন, আমি এখানেই থাকবো।

হাসিনাকে প্রত্যর্পণের দাবিতে যখন চাপ বাড়ছিল তখনই তাকে তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানোর ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা শুরু হয়। এক পর্যায়ে কাতার সম্মতি দেয়। কূটনৈতিক তৎপরতা যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে তখনই ভারত সিদ্ধান্ত কার্যকর করা থেকে বিরত থাকে। কারণ জোর করে হাসিনাকে অন্য কোনো দেশে পাঠানোর ব্যাপারে ভারতের কোনো ইচ্ছা বা অভিপ্রায় ছিল না।

এখন অবশ্য হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো চাপ নেই। দায়িত্বশীল কূটনৈতিক সূত্রে মানবজমিন জানতে পেরেছে ভারত সরকারও হাসিনার নেতৃত্ব সম্পর্কে অনেকটাই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। আওয়ামী লীগকে নির্বাচনি রেসে সামিল করার জন্য তারা নানাভাবেই চেষ্টা চালিয়েছিল। তখন আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব অন্য কাউকে দেয়া যায় কিনা তা নিয়ে পর্দার আড়ালে অনেক তৎপরতা ছিল।

প্রথমে সাবের হোসেন চৌধুরীকে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু হাসিনা তাতে সম্মতি দেননি। এক পর্যায়ে সাবের হোসেন চৌধুরী নিজেই অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপর রেহানার ছেলে রাদওয়ান সিদ্দিক ববিকে দিল্লিতে ডেকে নেয়া হয়। শেখ হাসিনার সঙ্গে ববি কথাও বলেন। শেখ হাসিনা এতেও সাঁয় দেননি।

ভারতের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। তখনই তাদের তরফে বাংলাদেশের নির্বাচনের ব্যাপারে সবুজ সংকেত দেয়া হয়। এরপরের ঘটনা সবার জানা। নির্বাচনের পর হিসাব-নিকেশ পাল্টে গেছে। পরিস্থিতি এখন উল্টো স্রোতে। দূরের একটি দেশও নতুন সমীকরণে যুক্ত হয়েছে। ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক অনেকটা স্বাভাবিক হতে চলেছে। কূটনৈতিক যোগাযোগ বেড়েছে। দু’দেশের তরফেই সম্পর্ক নতুন মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার তাগিদ লক্ষ করা যাচ্ছে।

ভিসা প্রক্রিয়া ফের স্বাভাবিক হচ্ছে। তবে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের আগে নয়। সূত্রগুলো বলছে, এ ব্যাপারে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে কয়েক দফা আলোচনাও হয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন সামনে রেখে কৌশলগত কারণে বিজেপি সরকার ভিসা চালুর ব্যাপারে আগ্রহ দেখায়নি। ২০২৪ এর ৫ই আগস্টের পর থেকে সকল প্রকার ভিসা বন্ধ রয়েছে। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে চালু আছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়